ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠাল ইরান, জুড়ে দিল ৭ শর্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাতারের মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসনের নিকট একটি নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আগে তাদের নির্ধারিত সাত দফা দাবি মেনে নেওয়া হলেই কেবল এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত এড়াতে মধ্যস্থতাকারীরা কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের মধ্যকার চলমান লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভোটের পর সামরিক অভিযান ফের শুরুর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দেননি। অন্যদিকে সংঘাত আবার শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে তেহরান। এই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন বর্তমানে প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

রাশিয়া সফরকালে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই জানিয়েছেন যে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত এই শর্তগুলো বাস্তবায়ন না করা হবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে এবং কোনো বৈঠকে বসবে না তেহরান। ইরানের এই মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ।

বিপরীতে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো শর্ত ছাড়াই আলোচনার শুরুতেই পারমাণবিক প্রকল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা পরিচালনা করে। সম্প্রতি এই সংঘাতের পরিধি লেবানন ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে।

জনপ্রিয়

চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান

কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠাল ইরান, জুড়ে দিল ৭ শর্ত

প্রকাশিত ১১:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাতারের মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসনের নিকট একটি নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আগে তাদের নির্ধারিত সাত দফা দাবি মেনে নেওয়া হলেই কেবল এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত এড়াতে মধ্যস্থতাকারীরা কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের মধ্যকার চলমান লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভোটের পর সামরিক অভিযান ফের শুরুর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দেননি। অন্যদিকে সংঘাত আবার শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে তেহরান। এই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন বর্তমানে প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

রাশিয়া সফরকালে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই জানিয়েছেন যে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত এই শর্তগুলো বাস্তবায়ন না করা হবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে এবং কোনো বৈঠকে বসবে না তেহরান। ইরানের এই মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ।

বিপরীতে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো শর্ত ছাড়াই আলোচনার শুরুতেই পারমাণবিক প্রকল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা পরিচালনা করে। সম্প্রতি এই সংঘাতের পরিধি লেবানন ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে।