ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সরকার ইচ্ছা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে Logo হাজারো ডিসেম্বর আসবে, কিন্তু হাসিনা আর আসবেন না Logo জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপে ‘প্রথম প্রধানমন্ত্রী’ তারেক রহমান Logo চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে চায় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ Logo লাইপজিগকে হারিয়ে ক্লাসিকো জয়ের অভিযানে নামতে চায় রেয়াল Logo র‍্যাঙ্কিংয়ে শারমিন ও স্বর্ণার উন্নতি Logo ‘পতিত স্বৈরাচার’ ও বিরোধী দল এক হয়ে বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী Logo রিয়াদে বাসিন্দাদের ফোনে আকাশপথে হামলার সতর্কবার্তা, পরে প্রত্যাহার Logo দুর্গাপূজার সাজপোশাক নিয়ে টিকটকে জনপ্রিয় ৩টি অ্যাকাউন্ট Logo নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, ১০ ছক্কায় আজিজুল ১৪২, ২২ বলের ফিফটিতে জাওয়াদের রেকর্ড

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজার সংস্কারের দাবিতে জাবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার কমপ্লেক্সের জরুরি সংস্কার, উন্নয়ন ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের দাবিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়(জাবি) শাখা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি মাননীয় উপদেষ্টা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বরাবর প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার একটি ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই পবিত্র স্থানটি চরম অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়েছে। এমনকি মাজারটির নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টাও চালানো হয়েছিল বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করা নেত্রী ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকালের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশেই সমাহিত হওয়ায় মাজার কমপ্লেক্সটির ঐতিহাসিক ও আবেগগত গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই পবিত্র স্থানে বাংলাদেশের ইতিহাসের দুই অবিসংবাদিত রাষ্ট্রনায়ক শায়িত আছেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া এই স্থানে কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল স্মারকলিপিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার কমপ্লেক্সের অবিলম্বে সংস্কার, আধুনিক ও মানসম্মত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, সার্বক্ষণিক তদারকি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, পূর্ববর্তী অবহেলার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাজারের ঐতিহাসিক পরিচয় ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে।

মাজার কমপ্লেক্স সংস্কারের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক বলেন, কিছু সীমিত উদ্যোগ ছাড়া বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়নি। দেশনেত্রীর প্রয়াণের পর মাজারের যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতি আমরা লক্ষ্য করেছি। এই প্রেক্ষাপটে পূর্ববর্তী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আমরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

জনপ্রিয়

সরকার ইচ্ছা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজার সংস্কারের দাবিতে জাবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি

প্রকাশিত ০১:১৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার কমপ্লেক্সের জরুরি সংস্কার, উন্নয়ন ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের দাবিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়(জাবি) শাখা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি মাননীয় উপদেষ্টা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বরাবর প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার একটি ঐতিহাসিক ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই পবিত্র স্থানটি চরম অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়েছে। এমনকি মাজারটির নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টাও চালানো হয়েছিল বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করা নেত্রী ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকালের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশেই সমাহিত হওয়ায় মাজার কমপ্লেক্সটির ঐতিহাসিক ও আবেগগত গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই পবিত্র স্থানে বাংলাদেশের ইতিহাসের দুই অবিসংবাদিত রাষ্ট্রনায়ক শায়িত আছেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া এই স্থানে কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল স্মারকলিপিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার কমপ্লেক্সের অবিলম্বে সংস্কার, আধুনিক ও মানসম্মত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, সার্বক্ষণিক তদারকি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, পূর্ববর্তী অবহেলার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাজারের ঐতিহাসিক পরিচয় ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে।

মাজার কমপ্লেক্স সংস্কারের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক বলেন, কিছু সীমিত উদ্যোগ ছাড়া বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়নি। দেশনেত্রীর প্রয়াণের পর মাজারের যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণে ঘাটতি আমরা লক্ষ্য করেছি। এই প্রেক্ষাপটে পূর্ববর্তী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আমরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।