ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo চাঁদাবাজি ও আপত্তিকর ভিডিও: মির্জাগঞ্জ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত Logo ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা Logo কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গ্রেফতার এক, গাড়ি জব্দ Logo ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শিক্ষার্থীদের পাশে নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির Logo ছাত্রদল নেতার সকালে পদত্যাগ করে পোস্ট, রাতে জানালেন আইডি হ্যাক ছিলো Logo রাবিস্থ খুলনা জেলা সমিতির নেতৃত্বে ফয়সাল ও মেহেদী Logo সাঁতারে খুলনা এবং অ্যাথলেটিকসে চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা Logo অপো এ সিরিজকে নম্বর ১ স্মুথনেস, ব্যাটারি লাইফ ও ডিউরেবিলিটির স্বীকৃতি দিলো বুয়েট Logo রবি এলিট প্রোগ্রামে আরও ১৬ ব্র্যান্ড, মিলবে ৫২% পর্যন্ত ছাড় Logo ঈদ উপলক্ষ্যে সব মডেলে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক দিচ্ছে রিভো

‎পাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আবারও স্মারকলিপি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্ররাজনীতি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবারও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তারা।

‎রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আওয়ালের নিকট এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

‎স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে— ১। বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল প্রকার ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে পুনরায় সুস্পষ্ট ও লিখিত নির্দেশনা জারি করা হোক।

‎২। রাজনৈতিক ব্যানারে যেকোনো কার্যক্রম, মিছিল বা সমাবেশ কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে এবং তা যদি কোন রাজনৈতিক সংগঠন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

‎৩। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

‎৪. ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

‎৫. এ বিষয়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক।

‎লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাগরিকা খাতুন বলেন, সম্প্রতি দুটি রাজনৈতিক দলের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে তারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও যেন ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালু না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

‎তিনি আরও বলেন, বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, রিজেন্ট বোর্ডে শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা বহাল থাকবে।

জনপ্রিয়

চাঁদাবাজি ও আপত্তিকর ভিডিও: মির্জাগঞ্জ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত

‎পাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আবারও স্মারকলিপি

প্রকাশিত ১২:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্ররাজনীতি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবারও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তারা।

‎রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আওয়ালের নিকট এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

‎স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে— ১। বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল প্রকার ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে পুনরায় সুস্পষ্ট ও লিখিত নির্দেশনা জারি করা হোক।

‎২। রাজনৈতিক ব্যানারে যেকোনো কার্যক্রম, মিছিল বা সমাবেশ কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে এবং তা যদি কোন রাজনৈতিক সংগঠন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

‎৩। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

‎৪. ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

‎৫. এ বিষয়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক।

‎লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাগরিকা খাতুন বলেন, সম্প্রতি দুটি রাজনৈতিক দলের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে তারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও যেন ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালু না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

‎তিনি আরও বলেন, বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, রিজেন্ট বোর্ডে শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা বহাল থাকবে।