ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এ এ জহির উদ্দিন তুহিনের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের শুভেচ্ছা মিছিল Logo স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ Logo দেশের সেরা ওয়েডিং স্টুডিওগুলোর সাথে ‘সনি আলফা বাংলাদেশ ওয়েডিং অ্যালায়েন্স’ চালু করল সনি Logo তীব্র গরমে আরামদায়ক পোশাক: ফ্যাশন আর স্বস্তির মেলবন্ধন Logo মুক্তিকে প্রকাশ্য সমর্থন ওমর সানীর Logo স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক: ছুটির অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ Logo সফলভাবে শেষ হলো পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স Logo বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে ‘কৃত্রিমভাবে আসন দখল’ বন্ধে শিক্ষার্থীদের আবেদন Logo ধনবাড়ীতে পিকআপের ধাক্কায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo পিএইচডি জালিয়াতি: গোবিপ্রবির সাদা দলের সদস্য সচিব চাকরিচ্যুত

তীব্র গরমে আরামদায়ক পোশাক: ফ্যাশন আর স্বস্তির মেলবন্ধন

তীব্র গরমে আরামদায়ক পোশাক: ফ্যাশন আর স্বস্তির মেলবন্ধন

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদ আর ভ্যাপসা গরমে যখন জীবন ওষ্ঠাগত, তখন স্বস্তি পেতে পোশাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই সময়ে এমন পোশাক বেছে নেওয়া উচিত যা একদিকে যেমন শরীরকে ঠান্ডা রাখবে, অন্যদিকে বজায় রাখবে আপনার স্টাইল। তীব্র গরমে আরাম ও ফ্যাশন একসাথে ধরে রাখার কিছু দারুণ উপায় নিয়ে আজকের এই ফিচার।

কাপড়ের সঠিক নির্বাচন
​গরমে আরাম পাওয়ার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে সঠিক কাপড় বা ফ্যাব্রিক নির্বাচনের ওপর।

সুতি বা কটন: গরমের জন্য সুতি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। এটি খুব সহজেই শরীরের ঘাম শুষে নেয় এবং বাতাসে শরীরে চলাচলের সুযোগ দেয়।

লিনেন: লিনেন কাপড় অত্যন্ত হালকা এবং এর বুনন আলগা হওয়ায় বাতাস যাতায়াত করতে পারে সহজেই। গরমের ফ্যাশনে লিনেন এখন বেশ জনপ্রিয়।

খাদি: দেশীয় খাদি বা খদ্দরের পোশাকও এই আবহাওয়ায় দারুণ আরামদায়ক।

​যা এড়িয়ে চলবেন: গরমের দিনগুলোয় সিল্ক, জর্জেট, নাইলন বা পলিয়েস্টারের মতো সিন্থেটিক কাপড় একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলো ঘাম আটকায় এবং ত্বকে র‍্যাশ বা অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

রঙের জাদুকরী ভূমিকা

গরমের দিনে পোশাকের রঙের ওপর নির্ভর করে আপনার কতটা গরম লাগবে।

​হালকা ও প্যাস্টেল শেড: সাদা, হালকা নীল, লেমন হলুদ, পুদিনা সবুজ (মিন্ট গ্রিন), হালকা গোলাপি বা অফ-হোয়াইট রঙের পোশাক আলো প্রতিফলন করে। ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে।

​গাঢ় রঙকে ‘না’ বলুন: কালো, নেভি ব্লু বা গাঢ় লাল রঙের পোশাক তাপ শোষণ করে বেশি, তাই এগুলো রোদ-গরমে পরিহার করাই শ্রেয়।

 

কাটিং এবং ফিটিংস
​গরমে আঁটসাঁট বা বডিফিটিং পোশাক পরে বাইরে বের হওয়া মানেই অস্বস্তিকে আমন্ত্রণ জানানো।

​ঢিলেঢালা পোশাক: এই সময়ে একটু লুজ ফিট বা ঢিলেঢালা কাটের পোশাক বেছে নিন।

​মেয়েদের ফ্যাশন: মেয়েরা কুর্তি, লং কামিজ, আলগা ঘেরের স্কার্ট, কাফতান বা প্লাজো পরতে পারেন। কুর্তির হাতায় থ্রি-কোয়ার্টার বা মেয়ার ঘটি হাতা গরমে বেশ আরাম দেয়।

 

অফিস ও বাইরের পোশাক

​কাজের প্রয়োজনে যাদের এই তীব্র গরমেও প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, তাদের জন্য কিছু টিপস:

অফিস লুক: অফিসের জন্য হালকা রঙের সুতি বা লিনেনের সেমি-ফরমাল শার্ট বা কুর্তি বেছে নিন। পোশাকের ডিজাইন যত সাধারণ বা মিনিমাল হবে, দেখতে ততটাই মার্জিত এবং আরামদায়ক লাগবে।

 

গরমে স্বস্তিতে থাকার কিছু চটজলদি টিপস:

পোশাকের পাশাপাশি অন্তর্বাস বা ইনারঅ্যারের ক্ষেত্রেও ১০০% সুতি কাপড় নিশ্চিত করুন।

রোদ থেকে বাঁচতে বাইরে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস এবং ওড়না বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন।

ভারী মেকআপ এবং অতিরিক্ত ভারী গয়না এড়িয়ে চলুন।

পরিশেষে: গরমের ফ্যাশন মানেই “লেস ইজ মোর”। পোশাক যত হালকা আর ছিমছাম হবে, আপনার আত্মবিশ্বাস এবং স্বস্তি ততই বাড়বে। তাই এই তীব্র গরমে ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে, নিজের শরীরের স্বস্তিকেই প্রাধান্য দিন।

জনপ্রিয়

এ এ জহির উদ্দিন তুহিনের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের শুভেচ্ছা মিছিল

তীব্র গরমে আরামদায়ক পোশাক: ফ্যাশন আর স্বস্তির মেলবন্ধন

প্রকাশিত ১০:১৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদ আর ভ্যাপসা গরমে যখন জীবন ওষ্ঠাগত, তখন স্বস্তি পেতে পোশাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই সময়ে এমন পোশাক বেছে নেওয়া উচিত যা একদিকে যেমন শরীরকে ঠান্ডা রাখবে, অন্যদিকে বজায় রাখবে আপনার স্টাইল। তীব্র গরমে আরাম ও ফ্যাশন একসাথে ধরে রাখার কিছু দারুণ উপায় নিয়ে আজকের এই ফিচার।

কাপড়ের সঠিক নির্বাচন
​গরমে আরাম পাওয়ার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে সঠিক কাপড় বা ফ্যাব্রিক নির্বাচনের ওপর।

সুতি বা কটন: গরমের জন্য সুতি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। এটি খুব সহজেই শরীরের ঘাম শুষে নেয় এবং বাতাসে শরীরে চলাচলের সুযোগ দেয়।

লিনেন: লিনেন কাপড় অত্যন্ত হালকা এবং এর বুনন আলগা হওয়ায় বাতাস যাতায়াত করতে পারে সহজেই। গরমের ফ্যাশনে লিনেন এখন বেশ জনপ্রিয়।

খাদি: দেশীয় খাদি বা খদ্দরের পোশাকও এই আবহাওয়ায় দারুণ আরামদায়ক।

​যা এড়িয়ে চলবেন: গরমের দিনগুলোয় সিল্ক, জর্জেট, নাইলন বা পলিয়েস্টারের মতো সিন্থেটিক কাপড় একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলো ঘাম আটকায় এবং ত্বকে র‍্যাশ বা অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

রঙের জাদুকরী ভূমিকা

গরমের দিনে পোশাকের রঙের ওপর নির্ভর করে আপনার কতটা গরম লাগবে।

​হালকা ও প্যাস্টেল শেড: সাদা, হালকা নীল, লেমন হলুদ, পুদিনা সবুজ (মিন্ট গ্রিন), হালকা গোলাপি বা অফ-হোয়াইট রঙের পোশাক আলো প্রতিফলন করে। ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে।

​গাঢ় রঙকে ‘না’ বলুন: কালো, নেভি ব্লু বা গাঢ় লাল রঙের পোশাক তাপ শোষণ করে বেশি, তাই এগুলো রোদ-গরমে পরিহার করাই শ্রেয়।

 

কাটিং এবং ফিটিংস
​গরমে আঁটসাঁট বা বডিফিটিং পোশাক পরে বাইরে বের হওয়া মানেই অস্বস্তিকে আমন্ত্রণ জানানো।

​ঢিলেঢালা পোশাক: এই সময়ে একটু লুজ ফিট বা ঢিলেঢালা কাটের পোশাক বেছে নিন।

​মেয়েদের ফ্যাশন: মেয়েরা কুর্তি, লং কামিজ, আলগা ঘেরের স্কার্ট, কাফতান বা প্লাজো পরতে পারেন। কুর্তির হাতায় থ্রি-কোয়ার্টার বা মেয়ার ঘটি হাতা গরমে বেশ আরাম দেয়।

 

অফিস ও বাইরের পোশাক

​কাজের প্রয়োজনে যাদের এই তীব্র গরমেও প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়, তাদের জন্য কিছু টিপস:

অফিস লুক: অফিসের জন্য হালকা রঙের সুতি বা লিনেনের সেমি-ফরমাল শার্ট বা কুর্তি বেছে নিন। পোশাকের ডিজাইন যত সাধারণ বা মিনিমাল হবে, দেখতে ততটাই মার্জিত এবং আরামদায়ক লাগবে।

 

গরমে স্বস্তিতে থাকার কিছু চটজলদি টিপস:

পোশাকের পাশাপাশি অন্তর্বাস বা ইনারঅ্যারের ক্ষেত্রেও ১০০% সুতি কাপড় নিশ্চিত করুন।

রোদ থেকে বাঁচতে বাইরে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস এবং ওড়না বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন।

ভারী মেকআপ এবং অতিরিক্ত ভারী গয়না এড়িয়ে চলুন।

পরিশেষে: গরমের ফ্যাশন মানেই “লেস ইজ মোর”। পোশাক যত হালকা আর ছিমছাম হবে, আপনার আত্মবিশ্বাস এবং স্বস্তি ততই বাড়বে। তাই এই তীব্র গরমে ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে, নিজের শরীরের স্বস্তিকেই প্রাধান্য দিন।