ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

স্বর্ণ কিনে লাভবান হওয়ার সহজ কৌশল

ছবি: অভিযাত্রা রিপোর্ট

বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও শেয়ারবাজারের ওঠানামার সময় স্বর্ণকে অনেকেই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে স্বর্ণ থেকে লাভবান হতে হলে সঠিক সময়ে, সঠিক পদ্ধতিতে এবং পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ করা জরুরি।

কেন স্বর্ণে বিনিয়োগ করবেন?

অর্থনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি বা শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতনের সময় স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পায় এবং এটি সম্পদের মূল্য সংরক্ষণে সহায়তা করে।

মোট বিনিয়োগের কত শতাংশ স্বর্ণে রাখা উচিত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোট বিনিয়োগের ৫ থেকে ১০ শতাংশ স্বর্ণ বা অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতে রাখা যেতে পারে। এটি বড় মুনাফার জন্য নয়, বরং ঝুঁকি কমানোর একটি কার্যকর কৌশল।

স্বর্ণে বিনিয়োগের জনপ্রিয় উপায়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

১. স্বর্ণের বার (Gold Bullion)

বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোর একটি হলো স্বর্ণের বার। এতে বিশুদ্ধ স্বর্ণের মালিকানা পাওয়া যায় এবং গহনার মতো অতিরিক্ত মেকিং চার্জ দিতে হয় না।

২. স্বর্ণমুদ্রা (Gold Coin)

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বর্ণমুদ্রা বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয়। এগুলো সহজে কেনাবেচা করা যায়।

৩. গোল্ড ইটিএফ (ETF) ও মিউচুয়াল ফান্ড

সরাসরি স্বর্ণ না কিনেও বিভিন্ন তহবিলের মাধ্যমে স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগ করা যায়। এতে সংরক্ষণের ঝামেলা থাকে না।

৪. স্বর্ণ কোম্পানির শেয়ার

স্বর্ণখনি বা স্বর্ণ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনেও স্বর্ণের বাজারের প্রবৃদ্ধি থেকে লাভ করা সম্ভব।

৫. গোল্ড ফিউচারস

অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি একটি বিকল্প। তবে এতে ঝুঁকি বেশি হওয়ায় নতুনদের জন্য উপযুক্ত নয়।

গহনা কি ভালো বিনিয়োগ?

স্বর্ণের গহনা কেনা গেলেও এটি সবসময় লাভজনক বিনিয়োগ নয়। কারণ গহনার দামের সঙ্গে মেকিং চার্জ ও অন্যান্য খরচ যুক্ত থাকে। ফলে বিক্রির সময় অনেক ক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না।

স্বর্ণ কিনে লাভবান হওয়ার কিছু কৌশল

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করুন।

একসঙ্গে বড় অঙ্কের পরিবর্তে ধাপে ধাপে স্বর্ণ কিনুন।

বিশুদ্ধতা যাচাই করে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে স্বর্ণ কিনুন।

পোর্টফোলিও বৈচিত্র্য রাখতে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য সম্পদেও বিনিয়োগ করুন।

স্বল্পমেয়াদি দামের ওঠানামার বদলে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার দিকে নজর দিন।

সতর্কতা

স্বর্ণ নিয়মিত আয় বা লভ্যাংশ দেয় না। এছাড়া এর দামও উল্লেখযোগ্যভাবে ওঠানামা করতে পারে। তাই স্বর্ণকে একমাত্র বিনিয়োগ মাধ্যম না করে সামগ্রিক বিনিয়োগ কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

স্বর্ণ কিনে লাভবান হওয়ার সহজ কৌশল

প্রকাশিত ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও শেয়ারবাজারের ওঠানামার সময় স্বর্ণকে অনেকেই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে স্বর্ণ থেকে লাভবান হতে হলে সঠিক সময়ে, সঠিক পদ্ধতিতে এবং পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ করা জরুরি।

কেন স্বর্ণে বিনিয়োগ করবেন?

অর্থনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি বা শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতনের সময় স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পায় এবং এটি সম্পদের মূল্য সংরক্ষণে সহায়তা করে।

মোট বিনিয়োগের কত শতাংশ স্বর্ণে রাখা উচিত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোট বিনিয়োগের ৫ থেকে ১০ শতাংশ স্বর্ণ বা অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতে রাখা যেতে পারে। এটি বড় মুনাফার জন্য নয়, বরং ঝুঁকি কমানোর একটি কার্যকর কৌশল।

স্বর্ণে বিনিয়োগের জনপ্রিয় উপায়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

১. স্বর্ণের বার (Gold Bullion)

বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোর একটি হলো স্বর্ণের বার। এতে বিশুদ্ধ স্বর্ণের মালিকানা পাওয়া যায় এবং গহনার মতো অতিরিক্ত মেকিং চার্জ দিতে হয় না।

২. স্বর্ণমুদ্রা (Gold Coin)

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বর্ণমুদ্রা বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয়। এগুলো সহজে কেনাবেচা করা যায়।

৩. গোল্ড ইটিএফ (ETF) ও মিউচুয়াল ফান্ড

সরাসরি স্বর্ণ না কিনেও বিভিন্ন তহবিলের মাধ্যমে স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগ করা যায়। এতে সংরক্ষণের ঝামেলা থাকে না।

৪. স্বর্ণ কোম্পানির শেয়ার

স্বর্ণখনি বা স্বর্ণ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনেও স্বর্ণের বাজারের প্রবৃদ্ধি থেকে লাভ করা সম্ভব।

৫. গোল্ড ফিউচারস

অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি একটি বিকল্প। তবে এতে ঝুঁকি বেশি হওয়ায় নতুনদের জন্য উপযুক্ত নয়।

গহনা কি ভালো বিনিয়োগ?

স্বর্ণের গহনা কেনা গেলেও এটি সবসময় লাভজনক বিনিয়োগ নয়। কারণ গহনার দামের সঙ্গে মেকিং চার্জ ও অন্যান্য খরচ যুক্ত থাকে। ফলে বিক্রির সময় অনেক ক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না।

স্বর্ণ কিনে লাভবান হওয়ার কিছু কৌশল

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করুন।

একসঙ্গে বড় অঙ্কের পরিবর্তে ধাপে ধাপে স্বর্ণ কিনুন।

বিশুদ্ধতা যাচাই করে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে স্বর্ণ কিনুন।

পোর্টফোলিও বৈচিত্র্য রাখতে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য সম্পদেও বিনিয়োগ করুন।

স্বল্পমেয়াদি দামের ওঠানামার বদলে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার দিকে নজর দিন।

সতর্কতা

স্বর্ণ নিয়মিত আয় বা লভ্যাংশ দেয় না। এছাড়া এর দামও উল্লেখযোগ্যভাবে ওঠানামা করতে পারে। তাই স্বর্ণকে একমাত্র বিনিয়োগ মাধ্যম না করে সামগ্রিক বিনিয়োগ কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস