ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাছ-মুরগি-ডিমের দামে চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে মাছ, মুরগি এবং ডিমের অব্যাহত চড়া দামের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে চরম আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় এসব আমিষ জাতীয় খাদ্যপণ্য কিনতে গিয়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের পকেটে টান পড়ছে, যা তাদের মাসিক বাজেটকে সম্পূর্ণ ওলোটপালট করে দিচ্ছে। বাজারের এমন লাগামহীন পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের পরিবারগুলো তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে গিয়েও নানা ধরনের সংকোচন নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে যে, রুই, কাতলা ও তেলাপিয়াসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। একই সঙ্গে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম বাড়তি থাকায় সাধারণ ক্রেতারা আমিষের জোগান নিয়ে গভীর সংকটে পড়েছেন। গত কিছুদিন ধরে ডিমের বাজারও বেশ অস্থির রয়েছে, যা প্রতিটি পরিবারের দৈনন্দিন খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শুধু আমিষজাতীয় খাবারই নয়, এর পাশাপাশি সয়াবিন তেল এবং চিনির চড়া দাম সাধারণ মানুষের সংসারের সার্বিক খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলোর লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে অধিকাংশ পরিবারকে বাধ্য হয়ে তাদের দৈনন্দিন খরচ কমাতে হচ্ছে। বাজারে এসে জিনিসপত্রের এমন চড়া দাম দেখে ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া যেন আর কোনো উপায় থাকে না বললেই চলে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা এখন সময়ের দাবি। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার না করলে এই মূল্যস্ফীতির চাপ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট মহলের।

জনপ্রিয়

পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচলে আলোচনা

মাছ-মুরগি-ডিমের দামে চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

প্রকাশিত ১১:৪৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে মাছ, মুরগি এবং ডিমের অব্যাহত চড়া দামের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে চরম আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় এসব আমিষ জাতীয় খাদ্যপণ্য কিনতে গিয়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের পকেটে টান পড়ছে, যা তাদের মাসিক বাজেটকে সম্পূর্ণ ওলোটপালট করে দিচ্ছে। বাজারের এমন লাগামহীন পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের পরিবারগুলো তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে গিয়েও নানা ধরনের সংকোচন নীতি গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে যে, রুই, কাতলা ও তেলাপিয়াসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। একই সঙ্গে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম বাড়তি থাকায় সাধারণ ক্রেতারা আমিষের জোগান নিয়ে গভীর সংকটে পড়েছেন। গত কিছুদিন ধরে ডিমের বাজারও বেশ অস্থির রয়েছে, যা প্রতিটি পরিবারের দৈনন্দিন খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শুধু আমিষজাতীয় খাবারই নয়, এর পাশাপাশি সয়াবিন তেল এবং চিনির চড়া দাম সাধারণ মানুষের সংসারের সার্বিক খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলোর লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে অধিকাংশ পরিবারকে বাধ্য হয়ে তাদের দৈনন্দিন খরচ কমাতে হচ্ছে। বাজারে এসে জিনিসপত্রের এমন চড়া দাম দেখে ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া যেন আর কোনো উপায় থাকে না বললেই চলে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা এখন সময়ের দাবি। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার না করলে এই মূল্যস্ফীতির চাপ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট মহলের।