ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ Logo যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে Logo পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় Logo সিলিন্ডার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি Logo প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা

শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে কুপিয়ে হত্যা

শেরপুর সদর উপজেলায় অত্যন্ত মর্মান্তিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কোলে থাকা শিশুসন্তানকে দুধ খাওয়ানোর সময় রোকেয়া বেগম নামের এক ৩৬ বছর বয়সী নারীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই গৃহবধূ সম্পূর্ণ নিরূপায় অবস্থায় তার সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন এবং এই সুযোগেই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আকস্মিক এই আক্রমণে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে, আর খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে, যাতে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের কাজও সম্পন্ন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত দল।

এই লোমহর্ষক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরিফ হোসেন নামের বিশ বছর বয়সী এক যুবককে দ্রুত আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয় এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে। এই ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ বা অন্য কোনো পূর্বশত্রুতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ জোরালো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

একজন মায়ের কোলে থাকা শিশুর সামনে এমন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।

জনপ্রিয়

হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ

শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত ১১:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুর সদর উপজেলায় অত্যন্ত মর্মান্তিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে কোলে থাকা শিশুসন্তানকে দুধ খাওয়ানোর সময় রোকেয়া বেগম নামের এক ৩৬ বছর বয়সী নারীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই গৃহবধূ সম্পূর্ণ নিরূপায় অবস্থায় তার সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন এবং এই সুযোগেই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আকস্মিক এই আক্রমণে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে, আর খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে, যাতে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের কাজও সম্পন্ন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত দল।

এই লোমহর্ষক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরিফ হোসেন নামের বিশ বছর বয়সী এক যুবককে দ্রুত আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয় এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে। এই ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ বা অন্য কোনো পূর্বশত্রুতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ জোরালো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

একজন মায়ের কোলে থাকা শিশুর সামনে এমন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ ও প্রতিবেশীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।