ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক Logo দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ Logo ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ Logo গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা Logo রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনের আড়ালে চলত মাদক কারবার Logo গাজাগামী ফ্লোটিলায় নির্যাতনে বেন-গভিরসহ ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে মামলা Logo বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ, ঘুরিয়ে দেওয়া হলো ৫ ফ্লাইট Logo ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক Logo জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ভিসা বিধিনিষেধ নীতি Logo জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ

দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির শালিমার বাগ এলাকায় সম্প্রতি গভীর রাতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন বা এমসিডি-র এই অভিযানে একটি বড় হাসপাতালের পাশের সড়কের দুই পাশে থাকা দোকান ও বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়। সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবেই এই বুলডোজার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে এত রাতে অভিযান চালানোর ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও ওই নির্দিষ্ট সড়কটিতে বেশ কয়েকবার অবৈধ স্থাপনা অপসারণের কাজ চালানো হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই রাতের অভিযানে সড়কের বাকি থাকা অবশিষ্ট স্থাপনাগুলোকে মূলত টার্গেট করা হয়, যার মধ্যে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং এর আশপাশের বেশ কিছু বসতঘর অন্তর্ভুক্ত ছিল। পুরো উচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি নির্বিঘ্ন করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল।

অভিযানের বিষয়ে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা জানিয়েছেন যে, বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভাঙার আগে তাদের তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও নির্দিষ্ট করে সেই নোটিশের মেয়াদ বা প্রক্রিয়াটি কতটা আইনসম্মত ছিল, সে বিষয়ে তারা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি। গভীর রাতে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একসঙ্গে অনেকগুলো স্থাপনা ভেঙে দেওয়ায় অনেক পরিবার আকস্মিকভাবে চরম বিপাকে পড়েছেন এবং তাদের অনেকেই খোলা আকাশের নিচে দিন কাটানোর উপক্রম হয়েছে।

এদিকে রাতের আঁধারে এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক দল অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের দিল্লি শাখা। দলটির সভাপতি শোয়েব জামাই প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন দিনের আলোর পরিবর্তে গোপনীয়তা বজায় রেখে গভীর রাতে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বিশেষ করে ভাঙচুরের শিকার হওয়া ওই ধর্মীয় স্থাপনাটি নিয়ে বর্তমানে আদালতে আইনি লড়াই ও মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেছেন এই রাজনৈতিক নেতা।

জনপ্রিয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক

দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ

প্রকাশিত ০৫:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির শালিমার বাগ এলাকায় সম্প্রতি গভীর রাতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন বা এমসিডি-র এই অভিযানে একটি বড় হাসপাতালের পাশের সড়কের দুই পাশে থাকা দোকান ও বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়। সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবেই এই বুলডোজার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে এত রাতে অভিযান চালানোর ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও ওই নির্দিষ্ট সড়কটিতে বেশ কয়েকবার অবৈধ স্থাপনা অপসারণের কাজ চালানো হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই রাতের অভিযানে সড়কের বাকি থাকা অবশিষ্ট স্থাপনাগুলোকে মূলত টার্গেট করা হয়, যার মধ্যে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং এর আশপাশের বেশ কিছু বসতঘর অন্তর্ভুক্ত ছিল। পুরো উচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি নির্বিঘ্ন করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল।

অভিযানের বিষয়ে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা জানিয়েছেন যে, বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর ভাঙার আগে তাদের তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও নির্দিষ্ট করে সেই নোটিশের মেয়াদ বা প্রক্রিয়াটি কতটা আইনসম্মত ছিল, সে বিষয়ে তারা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করতে পারেননি। গভীর রাতে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একসঙ্গে অনেকগুলো স্থাপনা ভেঙে দেওয়ায় অনেক পরিবার আকস্মিকভাবে চরম বিপাকে পড়েছেন এবং তাদের অনেকেই খোলা আকাশের নিচে দিন কাটানোর উপক্রম হয়েছে।

এদিকে রাতের আঁধারে এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক দল অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের দিল্লি শাখা। দলটির সভাপতি শোয়েব জামাই প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন দিনের আলোর পরিবর্তে গোপনীয়তা বজায় রেখে গভীর রাতে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বিশেষ করে ভাঙচুরের শিকার হওয়া ওই ধর্মীয় স্থাপনাটি নিয়ে বর্তমানে আদালতে আইনি লড়াই ও মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেছেন এই রাজনৈতিক নেতা।