ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক Logo দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ Logo ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ Logo গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা Logo রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনের আড়ালে চলত মাদক কারবার Logo গাজাগামী ফ্লোটিলায় নির্যাতনে বেন-গভিরসহ ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে মামলা Logo বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ, ঘুরিয়ে দেওয়া হলো ৫ ফ্লাইট Logo ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক Logo জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ভিসা বিধিনিষেধ নীতি Logo জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংকট নিরসনে পাকিস্তান সবসময় একটি আন্তরিক ও সৎ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টা তারা অব্যাহত রাখবেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দেওয়া বক্তব্যে শাহবাজ শরিফ জানান, এর আগে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিজে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের পর পাকিস্তানের সফল মধ্যস্থতায় গত বছর একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি অর্জিত হয়েছিল। এরপর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ ২০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ সহযোগিতায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করতে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা ও উত্তেজনার কারণে শান্তির পথ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, তবুও পাকিস্তান আশা ছাড়ছে না। সাম্প্রতিক জাতিসংঘ অধিবেশনের সময়ও মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের মধ্যে পরোক্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এটিকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোও এখন ইতিবাচক অবদান রাখছে।

জনপ্রিয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ

প্রকাশিত ০৫:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংকট নিরসনে পাকিস্তান সবসময় একটি আন্তরিক ও সৎ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টা তারা অব্যাহত রাখবেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দেওয়া বক্তব্যে শাহবাজ শরিফ জানান, এর আগে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিজে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের পর পাকিস্তানের সফল মধ্যস্থতায় গত বছর একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি অর্জিত হয়েছিল। এরপর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ ২০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ সহযোগিতায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করতে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা ও উত্তেজনার কারণে শান্তির পথ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, তবুও পাকিস্তান আশা ছাড়ছে না। সাম্প্রতিক জাতিসংঘ অধিবেশনের সময়ও মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের মধ্যে পরোক্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এটিকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোও এখন ইতিবাচক অবদান রাখছে।