রাজধানী ঢাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধী চক্রের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রতি ছয়জন ব্যক্তির মধ্যে অন্তত একজনের বয়স ১৮ বছরের নিচে। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে, যা সমাজ বিশ্লেষকদেরও ভাবিয়ে তুলেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং তাদের নানামুখী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে স্মার্ট ডিভাইসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে কমবয়সী এই কিশোরেরা খুব সহজেই নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল পুলিশি অভিযানই যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক ও পারিবারিক নজরদারিও বাড়াতে হবে।
এরই মধ্যে কিশোর অপরাধের ভয়াবহতার চিত্র ফুটিয়ে তোলার মতো বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ঘটনাও ঘটেছে। সম্প্রতি কুমিল্লায় একটি থানার দরজা ভেঙে ১৭ জন কিশোরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এই ধরনের ঘটনাগুলো কিশোর সংশোধনাগার ও থানাসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে কিশোর অপরাধের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমসাময়িক ইস্যুগুলোও গণমাধ্যমে স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান ও জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সার্বিক সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যুবসমাজকে রক্ষা করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।





































