ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন পাবিপ্রবির ১১ শিক্ষার্থী ‎ Logo নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের Logo ফিনল্যান্ডে গুগলের ডেটা সেন্টারের কাজ বন্ধের নির্দেশ Logo আইফোন ডুও কেন অনন্য

তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এক কূটনৈতিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের নির্ধারিত কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বমঞ্চের এই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের সরকারপ্রধানের এই সাক্ষাৎকে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠকের শুরুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচনাকালে দুই প্রধানমন্ত্রীই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গভীর সমঝোতা এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন। যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সে বিষয়েও তারা নিজেদের মতামত বিনিময় করেন। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো পাশ কাটিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ অনুভব করেন তারা।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দুই নেতা মনে করেন, নিয়মিত আলোচনা চলমান থাকলে দুই দেশের মধ্যকার বোঝাপড়া আরও গভীর হবে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী

তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশিত ০৭:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এক কূটনৈতিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের নির্ধারিত কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বমঞ্চের এই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের সরকারপ্রধানের এই সাক্ষাৎকে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠকের শুরুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচনাকালে দুই প্রধানমন্ত্রীই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গভীর সমঝোতা এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন। যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সে বিষয়েও তারা নিজেদের মতামত বিনিময় করেন। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো পাশ কাটিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ অনুভব করেন তারা।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। দুই নেতা মনে করেন, নিয়মিত আলোচনা চলমান থাকলে দুই দেশের মধ্যকার বোঝাপড়া আরও গভীর হবে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।