ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে মার্তিনেস Logo পূজায় প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর, নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা Logo পিস্তল হাতে ‘মাদক অভিযানে’ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক Logo মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হবে: সিসি Logo দুই দশকের হাজারো প্রাক্তন, তবু নেই কুবিতে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই সংগঠন Logo প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার ও জাবি সিন্ডিকেট সদস্যে মনোনীত অধ্যাপক নাহরিন Logo ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনের সময়সীমা নির্ধারণ Logo রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করল বিমান Logo পাবিপ্রবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের আংশিক কমিটি নেতৃত্বে মনিরুল–বাপ্পি Logo ভিনিসিউসের জায়গায় থাকলে ‘রেয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে যেতেন’ মরিনিয়ো

মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হবে: সিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে ২০৩০ সালে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়টি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত রয়েছে এবং এ বিষয়ে দেশের সংবিধানে কোনো ধরনের সংশোধনী আনা হবে না। সম্প্রতি মিশরের সামরিক একাডেমিতে নতুন একটি ব্যাচের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। নিজ মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বক্তৃতাকালে সিসি বলেন যে মিশরের সংবিধানে হাত দেওয়া হবে না এবং এটি একটি সম্পূর্ণ মীমাংসিত বিষয় যা নিয়ে আর কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। ৭১ বছর বয়সী এই নেতা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পুননির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বর্তমানে অতিরিক্ত ছয় বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৯ সালের এক গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংশোধনী অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করা হয়েছিল। ওই সংশোধনীগুলোর মাধ্যমেই সিসির তৃতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথ সুগম হয় এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত তার ক্ষমতায় টিকে থাকার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

মিশরের এই শীর্ষ নেতা সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক জেনারেল হিসেবে পরিচিত যিনি ২০১৩ সালে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন। সে সময় মোহাম্মদ মুরসির শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র গণবিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করা হয়েছিল। এরপর থেকেই মিশরের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সিসির শক্তিশালী অবস্থান বজায় রয়েছে এবং তিনি দেশটির শাসনভার পরিচালনা করে আসছেন।

সংবিধানের কোনো পরিবর্তন করা হবে না এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই তার শাসনকাল শেষ হবে—এমন ঘোষণা মিশরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের রাজনৈতিক প্রস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট।

জনপ্রিয়

গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে মার্তিনেস

মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হবে: সিসি

প্রকাশিত ০৭:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে ২০৩০ সালে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়টি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত রয়েছে এবং এ বিষয়ে দেশের সংবিধানে কোনো ধরনের সংশোধনী আনা হবে না। সম্প্রতি মিশরের সামরিক একাডেমিতে নতুন একটি ব্যাচের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। নিজ মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বক্তৃতাকালে সিসি বলেন যে মিশরের সংবিধানে হাত দেওয়া হবে না এবং এটি একটি সম্পূর্ণ মীমাংসিত বিষয় যা নিয়ে আর কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। ৭১ বছর বয়সী এই নেতা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পুননির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বর্তমানে অতিরিক্ত ছয় বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৯ সালের এক গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংশোধনী অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করা হয়েছিল। ওই সংশোধনীগুলোর মাধ্যমেই সিসির তৃতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথ সুগম হয় এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত তার ক্ষমতায় টিকে থাকার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

মিশরের এই শীর্ষ নেতা সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক জেনারেল হিসেবে পরিচিত যিনি ২০১৩ সালে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন। সে সময় মোহাম্মদ মুরসির শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র গণবিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করা হয়েছিল। এরপর থেকেই মিশরের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সিসির শক্তিশালী অবস্থান বজায় রয়েছে এবং তিনি দেশটির শাসনভার পরিচালনা করে আসছেন।

সংবিধানের কোনো পরিবর্তন করা হবে না এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই তার শাসনকাল শেষ হবে—এমন ঘোষণা মিশরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের রাজনৈতিক প্রস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট।