ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সরকারি চাকুরেরা ভাতা পাবেন আগের মূল বেতন ধরে Logo ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও জাদুঘর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo প্যাকেটেই থাকুক ক্ষতিকর উপাদানের সতর্কবার্তা, এক মাসের প্রচারে নামছে তরুণেরা Logo মিলিতাওকে ফিরে পেয়ে খুশি কুকুরেইয়া Logo ‘আসুন, নিজের সন্তানের জন্য স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি’: নগর ভবনে প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে Logo নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী Logo মিষ্টি থেকে ইশরাক: কী বার্তা দিচ্ছেন তারেক রহমান? Logo ‘কিশোর গ্যাং’: উত্থান ঠেকাতে উপজেলাগুলোয় কমিটি করছে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী মাদকবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন: ইশরাক

প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে

রাজনীতি ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজার মহানবমীর দিন মণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে থাকা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পাঁচ বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদের আবক্ষ মূর্তি নতুন করে রং করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্কার করা হয়েছে মূর্তিগুলোর বেদী এবং আশপাশের এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।

রোববার জে এম সেন হল প্রাঙ্গণ পরিদর্শনের সময় সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন মণ্ডপের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবহেলিত ও বিবর্ণ অবস্থায় থাকা মূর্তিগুলো দেখতে পান। এরপর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মূর্তিগুলো রং করার পাশাপাশি বেদীগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়। সংস্কার কাজ শেষে সোমবার সকালে মেয়র নিজে উপস্থিত থেকে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, মহিম চন্দ্র দাশ ও নেলী সেনগুপ্তার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাদের ম্যুরালগুলো অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে ছিল। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এগুলোকে এখন অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল করতে জে এম সেন হলের চারপাশের সব ব্যানার ও পোস্টার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই টাউন হলের আশপাশের এলাকায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহের সাথে এই আয়োজনের অপেক্ষা করছেন।

উল্লেখ্য, ১৯১৯ সালে নির্মিত শতবর্ষী এই টাউন হলটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি বহন করে চলেছে। এখানে দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

জনপ্রিয়

সরকারি চাকুরেরা ভাতা পাবেন আগের মূল বেতন ধরে

প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে

প্রকাশিত ০৫:২২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজার মহানবমীর দিন মণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে থাকা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পাঁচ বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদের আবক্ষ মূর্তি নতুন করে রং করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্কার করা হয়েছে মূর্তিগুলোর বেদী এবং আশপাশের এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।

রোববার জে এম সেন হল প্রাঙ্গণ পরিদর্শনের সময় সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন মণ্ডপের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবহেলিত ও বিবর্ণ অবস্থায় থাকা মূর্তিগুলো দেখতে পান। এরপর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মূর্তিগুলো রং করার পাশাপাশি বেদীগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়। সংস্কার কাজ শেষে সোমবার সকালে মেয়র নিজে উপস্থিত থেকে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, মহিম চন্দ্র দাশ ও নেলী সেনগুপ্তার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তাদের ম্যুরালগুলো অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে ছিল। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এগুলোকে এখন অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল করতে জে এম সেন হলের চারপাশের সব ব্যানার ও পোস্টার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই টাউন হলের আশপাশের এলাকায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহের সাথে এই আয়োজনের অপেক্ষা করছেন।

উল্লেখ্য, ১৯১৯ সালে নির্মিত শতবর্ষী এই টাউন হলটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি বহন করে চলেছে। এখানে দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।