প্রযুক্তি ডেস্ক: লন্ডনভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানি পেসেন্ডের প্রধান নির্বাহী বেন চিসেল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ঢালাও ব্যবহারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি মনে করেন, সবার হাতে এই প্রযুক্তি তুলে দিলেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় না, বরং তা ভুল মানুষের হাতে পড়লে অলসতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই তার প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের সুযোগ পেতে হলে কর্মীদের আগে সক্ষমতা প্রমাণ করতে হয়।
বর্তমান সময়ে আইন, সফটওয়্যার ও অর্থসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতের অনেক কোম্পানি বড় পরিসরে এআই টুলস বিতরণ করছে। লয়েডস ব্যাংকিং গ্রুপ এবং গ্রান্ট থর্নটন ইউকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের অ্যানথ্রপিকের ক্লড বা মাইক্রোসফটের কোপাইলট ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করছে। ব্রিটিশ সরকারের গবেষণা অনুযায়ী, এআই ব্যবহারকারী ৭৫ শতাংশ কোম্পানি উৎপাদনশীলতা বাড়ার কথা বললেও ৭৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে তাদের আয়ে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
পেসেন্ডে নতুন কোনো এআই সরঞ্জাম ব্যবহারের জন্য কর্মীদের এক মাস সময় দেওয়া হয় এবং ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তা মূল্যায়ন করা হয়। ব্রিটিশ এআই কোম্পানি ইউনিইয়ের প্রধান নির্বাহী লোকদিপ সিংও এআইকে কেবল উচ্চ পারফর্ম করা কর্মীদের জন্যই উপযোগী বিশেষ সক্ষমতা মনে করেন। তিনি খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে কর্মী ছাঁটাইয়ের বদলে কোম্পানির লক্ষ্য বড় করার কাজে এআই ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন।
অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে কোরভিউয়ের কৌশল ভিন্ন হলেও তারা এআই টুলস দিয়ে ডেভেলপারদের কাজের গতি বাড়িয়েছে। তবে কোম্পানিগুলোর মতে, দক্ষতার বাইরের কাজ এআই দিয়ে করালে প্রকৃত দক্ষতা বাড়ে না। চিসেলের মতে, প্রযুক্তি কখনোই মানুষের দায়বদ্ধতা দখল করতে পারে না এবং চূড়ান্ত দায়িত্ব মানুষের হাতেই থাকা উচিত।






































