প্রবাস ডেস্ক: নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান সাঈদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভার বাইরে এক প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্যের ওপর হামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতে উপস্থিত হওয়ার শর্তে তাকে পুলিশি হেফাজতে থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
ম্যানহাটনের নরম্যান থমাস হাইস্কুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভার বাইরে আগামী নির্বাচনের পদপ্রার্থী খান শওকতের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও তহবিল তছরুপের অভিযোগ তুলছিলেন শওকতসহ বেশ কয়েকজন সদস্য। তারা বিগত তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশের দাবিতে সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করছিলেন।
ঘটনার পর সাধারণ সভায় ব্যাপক হট্টগোল শুরু হয় এবং উপস্থিত সদস্যরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাঈদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন থেকে সাঈদকে ত্রিশ দিনের জন্য সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য অভিযুক্ত সাঈদ ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার তরফ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে হামলার শিকার খান শওকত জানিয়েছেন, এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে নিউ ইয়র্ক পুলিশে কর্মরত বাংলাদেশিরা বিশেষভাবে বিব্রতবোধ করছেন। আগামী ২৪ নভেম্বর এই ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং ২২ ডিসেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।





































