ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাড়িতে ডিজে পার্টি, পুলিশের অভিযান, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত Logo দাদন ব্যাবসায়ীর ফাঁদে সর্বশান্ত শতাধিক পরিবার, ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন Logo কালিয়াকৈরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ Logo ছোট দলের মধ্যে পোস্ট শেয়ারে মেটার ‘থ্রেডস ফ্রেন্ডস’ Logo ইংরেজি ভার্সনে পাসের হার ১০০, গড় পাসের হার ৯৯.৮৩ শতাংশ Logo যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট Logo কামিন্দুর ‘প্রথম’ সেঞ্চুরি Logo কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান Logo বড় সাজ্জাদের ‘নতুন সহযোগী’ গ্রেপ্তার, পুলিশ বলছে তার ‘বেতন ৫০ হাজার’ Logo ট্রাফিক সংকটে রেডিট, এখন থেকে কনটেন্ট দেখতে লাগবে লগইন

টেন্ডার ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের ইট ও টিন বিক্রির অভিযোগ

সারাদেশ ডেস্ক: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কোনো ধরনের টেন্ডার বা প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো নির্মাণসামগ্রী বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। টিটা পানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইনামুল হকের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি সম্পদ এভাবে গোপনে বিক্রি করে দেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সকালের দিকে একটি নছিমনগাড়িতে করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ইটগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে দেখেন স্থানীয়রা। বিদ্যালয় ভবনের পুরোনো আধাপাকা ঘর ভেঙে ফেলা অংশ থেকে টিন, ইট ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়মবহির্ভূতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়। সরকারি সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে ধরনের স্বচ্ছতা ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক, তার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ইট ক্রেতা হরে কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, তিনি প্রধান শিক্ষক ইনামুল হকের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকায় মোট ৫ হাজার ইট কিনেছেন। এদিকে শুরুতে গণমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক। পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন যে, টেন্ডার ছাড়াই ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছে ওইসব সামগ্রী সামান্য টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এবং সেই টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ে সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সজল মিয়াসহ অন্যান্য সচেতন ব্যক্তিরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত দাবি করেছেন। সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ বা বিধিবহির্ভূতভাবে বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুসলিমা বেগম জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেবেন।

অন্যদিকে, এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সরওয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

বাড়িতে ডিজে পার্টি, পুলিশের অভিযান, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত

টেন্ডার ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের ইট ও টিন বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত ০৪:০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কোনো ধরনের টেন্ডার বা প্রকাশ্য নিলাম ছাড়াই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো নির্মাণসামগ্রী বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। টিটা পানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইনামুল হকের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি সম্পদ এভাবে গোপনে বিক্রি করে দেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সকালের দিকে একটি নছিমনগাড়িতে করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ইটগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে দেখেন স্থানীয়রা। বিদ্যালয় ভবনের পুরোনো আধাপাকা ঘর ভেঙে ফেলা অংশ থেকে টিন, ইট ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়মবহির্ভূতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়। সরকারি সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে ধরনের স্বচ্ছতা ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক, তার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ইট ক্রেতা হরে কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, তিনি প্রধান শিক্ষক ইনামুল হকের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকায় মোট ৫ হাজার ইট কিনেছেন। এদিকে শুরুতে গণমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি প্রধান শিক্ষক ইনামুল হক। পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন যে, টেন্ডার ছাড়াই ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছে ওইসব সামগ্রী সামান্য টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এবং সেই টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ে সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সজল মিয়াসহ অন্যান্য সচেতন ব্যক্তিরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত দাবি করেছেন। সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ বা বিধিবহির্ভূতভাবে বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুসলিমা বেগম জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেবেন।

অন্যদিকে, এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সরওয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।