ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দেয়া হবে একে একে

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে ষড়যন্ত্র করে কখনো বাংলাদেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। দীর্ঘ সময় পর মানুষ মুক্ত পরিবেশে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেলেও একটি মহল এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে অতীতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার পেছনে মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন মহল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি এবং জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। একইভাবে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, অতীতের মতো আজও একটি মহল দেশ নিয়ে বিভিন্ন চক্রান্তে মেতে উঠেছে। তারা দেশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় ঐক্যবদ্ধ হতে জানে। কোনো ষড়যন্ত্রই এ দেশের সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জাতীয় স্বার্থে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং ভোটাধিকারের পক্ষে থাকা দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু দেশের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি চক্রান্তের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

সামিটের এলএনজি সরবরাহ ফের শুরু

ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দেয়া হবে একে একে

প্রকাশিত ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে ষড়যন্ত্র করে কখনো বাংলাদেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। দীর্ঘ সময় পর মানুষ মুক্ত পরিবেশে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেলেও একটি মহল এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে অতীতের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার পেছনে মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন মহল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি এবং জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। একইভাবে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, অতীতের মতো আজও একটি মহল দেশ নিয়ে বিভিন্ন চক্রান্তে মেতে উঠেছে। তারা দেশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় ঐক্যবদ্ধ হতে জানে। কোনো ষড়যন্ত্রই এ দেশের সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জাতীয় স্বার্থে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং ভোটাধিকারের পক্ষে থাকা দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু দেশের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি চক্রান্তের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।