স্বাস্থ্য ডেস্ক: শীতকালে বাজারে পালংশাক, লালশাক, মুলাশাক, ফুলকপি ও ব্রকলির মতো নানা পুষ্টিকর শাকসবজি পাওয়া যায়। এসব মৌসুমি খাবারে বিটা-ক্যারোটিন, ফোলেইট, ভিটামিন সি এবং খাদ্যআঁশের মতো জরুরি উপাদান থাকে। নিয়মিত এসব সবজি খেলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমে।
বিভিন্ন পুষ্টিবিষয়ক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এশিয়ার অনেক দেশে মানুষের প্রতিদিনের শাকসবজি খাওয়ার পরিমাণ সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে কম থাকে। অথচ হালকা রঙের সবজির তুলনায় গাঢ় সবুজ শাকে অনেক বেশি বিটা-ক্যারোটিন ও ফোলেইট পাওয়া যায়। এসব উপাদান হৃদ্যন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিটি শাকে আলাদা পুষ্টিগুণ রয়েছে, যেমন পালংশাকে ফোলেইট ও আয়রন এবং লালশাকে বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি থাকে। তবে অতিরিক্ত সময় ধরে সবজি সেদ্ধ করলে ভিটামিন সি এবং ফোলেইটের মতো উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। তাই পুষ্টি বজায় রাখতে শাকসবজি অল্প সময় ভাপে সেদ্ধ করা বা হালকা ভাজি করা উচিত।
গর্ভবতী নারীদের জন্য ফোলেইটসমৃদ্ধ পালংশাক ও ব্রকলি খাওয়া অত্যন্ত জরুরি, যা শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরাও কম ক্যালরির আঁশসমৃদ্ধ সবজি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা সহজে পূরণ হয়।




































