ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

শীতের আমেজে সুস্থ থাকতে ৬টি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শীতের মৌসুমে তাপমাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হাড়ের স্বাস্থ্য এবং প্রতিদিনের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখতে সুষম খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেকে এই ঘাটতি পূরণে কৃত্রিম সাপ্লিমেন্টের ওপর ভরসা করলেও, স্বাভাবিক খাবার দিয়েই এসব পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব। শীতকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ছয়টি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান রাখা দারুণ উপকারী।

প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের মধ্যে ভিটামিন বি৬ স্নায়ুতন্ত্র সচল রাখতে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে, যার উৎস হলো কলা, মাছ, মাংস ও গোটা শস্য। অন্যদিকে, হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা রক্ষায় এবং প্রদাহ কমাতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা তৈলাক্ত মাছ ও বিভিন্ন বীজে পাওয়া যায়। লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে এবং অক্সিজেন সরবরাহে আয়রন অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে, যা মাংস ও সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে থাকে।

এছাড়াও, ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে এবং কোলাজেন তৈরিতে আমলকী ও লেবুর মতো ফল থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। হাড় ও দাঁত মজবুত করতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে ভিটামিন ডি সরাসরি সাহায্য করে, যার প্রধান উৎস ডিমের কুসুম ও সূর্যালোক। কোষের বিভাজন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিঙ্ক প্রয়োজন হলেও, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এর অতিরিক্ত সম্পূরক গ্রহণ করা ক্ষতিকর হতে পারে।

শীতকালে সুস্থ থাকার জন্য কৃত্রিম ওষুধের ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের খাবারে মাছ, ডিম, শাকসবজি ও ফলমূলের বৈচিত্র্য আনা উচিত। পুষ্টিবিদরা মনে করেন, কোনো একটি একক উপাদান অলৌকিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারে না, তাই সুষম খাদ্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান ও ঘুম জরুরি। বড় কোনো ঘাটতি দেখা দিলে অবহেলা না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

জনপ্রিয়

বাজে লোকগুলো হেরে গেছে: ট্রাম্প, ভ্যান্সকে নিয়ে সেনেটর আল-সায়েদ

শীতের আমেজে সুস্থ থাকতে ৬টি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান

প্রকাশিত ০৬:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শীতের মৌসুমে তাপমাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হাড়ের স্বাস্থ্য এবং প্রতিদিনের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখতে সুষম খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেকে এই ঘাটতি পূরণে কৃত্রিম সাপ্লিমেন্টের ওপর ভরসা করলেও, স্বাভাবিক খাবার দিয়েই এসব পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব। শীতকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ছয়টি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান রাখা দারুণ উপকারী।

প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের মধ্যে ভিটামিন বি৬ স্নায়ুতন্ত্র সচল রাখতে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে, যার উৎস হলো কলা, মাছ, মাংস ও গোটা শস্য। অন্যদিকে, হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা রক্ষায় এবং প্রদাহ কমাতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা তৈলাক্ত মাছ ও বিভিন্ন বীজে পাওয়া যায়। লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে এবং অক্সিজেন সরবরাহে আয়রন অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে, যা মাংস ও সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে থাকে।

এছাড়াও, ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে এবং কোলাজেন তৈরিতে আমলকী ও লেবুর মতো ফল থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। হাড় ও দাঁত মজবুত করতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে ভিটামিন ডি সরাসরি সাহায্য করে, যার প্রধান উৎস ডিমের কুসুম ও সূর্যালোক। কোষের বিভাজন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিঙ্ক প্রয়োজন হলেও, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এর অতিরিক্ত সম্পূরক গ্রহণ করা ক্ষতিকর হতে পারে।

শীতকালে সুস্থ থাকার জন্য কৃত্রিম ওষুধের ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের খাবারে মাছ, ডিম, শাকসবজি ও ফলমূলের বৈচিত্র্য আনা উচিত। পুষ্টিবিদরা মনে করেন, কোনো একটি একক উপাদান অলৌকিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারে না, তাই সুষম খাদ্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান ও ঘুম জরুরি। বড় কোনো ঘাটতি দেখা দিলে অবহেলা না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।