ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান Logo জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ জিসানের পদত্যাগের ঘোষণা Logo বুটেক্সে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি Logo নবীন বিতার্কিক তৈরির লক্ষ্যে কুবি ডিবেটিং সোসাইটির ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টস’ Logo পাবিপ্রবির জুলাই–৬ হলের খাবারে মিলল পোকা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা Logo বাকৃবিতে ৩১৮ গবেষণাপত্র নিয়ে বিএসভিইআরের সম্মেলন

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ইবির ইংরেজি বিভাগের মানববন্ধন

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১০:০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • ২০২ বার পঠিত

দেশব্যাপী চলমান নারীদের উপর সহিংসতা প্রতিরোধে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগ।

সোমবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় তারা নারী নিগ্রহ প্রতিরোধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাসিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ,
সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার অধিকারী, সহযোগী অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সহযোগী অধ্যাপক লিটন বরণ শিকদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষার্থী ‌।

এসময় বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাসিদুজ্জামান বলেন, “দেশব্যাপী চলমান নারী নিগ্রহের প্রতিবাদে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। আমরা চাই এখন থেকে এই ধরনের কোন অপরাধ বিচার না হয়ে পর্দার অন্তরালে না যাক। দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ সরকারের কাছে প্রত্যাশা করছি। আর যেন কোন পিতার কন্যা রাস্তায় চলতে ভয় না পায়। আর যেন তাকে পুরুষের কালোথাবার ভয় পেতে না হয়।”

সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ বলেন, এখানে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি আমি বলবো, তোমাদের নিজেদের ঘরকে সুন্দর করা চাই, কারণ পরিবার থেকে একটা মানুষ মূল শিক্ষা পেয়ে থাকে। একটা নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি কি হবে, সেই শিক্ষা পরিবার থেকেই পেয়ে থাকে। আর ধর্ষণ নারি নিগ্রহের এক্সট্রিম পর্যায়। এর আরো অনেক ধাপ আছে। আমরা চাই নারীরা ছোট থেকে বড় কোন নিগ্রহের শিকার না হোক। আর এই নিগ্রহের বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা হোক।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দেখি যে আমাদের দেশে দর্শনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আছে কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ নাই। আমরা বলতে পারি না শেষ কবে একজন ধর্ষকের ফাঁসি হয়েছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক। নতুবা নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক। এবং যে রায় হবে তা কার্যকর করা হোক।

উল্লেখ্য, মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ‘”ধর্ষিতা বোনের শাড়ি ঐ আমার রক্তাক্ত জাতীয় পতাকা”আপনার সন্তানকে নারীদের সম্মান দিতে শেখান, ধর্ষক মুক্ত সমাজ চাই, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, সর্বক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, নারী কোনো ভোগের বস্তু নয় নারীর নয়, Safety is the best reform, ধর্ষকের জামিন কেনো, ব্যবস্থা নে হারামজাদা, নইলে সংস্কার চিবিয়ে খাবো, ধর্ষিতার আগে ধর্ষকের মৃত্যু হোক‌ ইত্যাদি লেখা সংযুক্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়।

জনপ্রিয়

রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ইবির ইংরেজি বিভাগের মানববন্ধন

প্রকাশিত ১০:০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

দেশব্যাপী চলমান নারীদের উপর সহিংসতা প্রতিরোধে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগ।

সোমবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় তারা নারী নিগ্রহ প্রতিরোধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাসিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ,
সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার অধিকারী, সহযোগী অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র বিশ্বাস, সহযোগী অধ্যাপক লিটন বরণ শিকদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের পঞ্চাশোর্ধ শিক্ষার্থী ‌।

এসময় বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাসিদুজ্জামান বলেন, “দেশব্যাপী চলমান নারী নিগ্রহের প্রতিবাদে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি। আমরা চাই এখন থেকে এই ধরনের কোন অপরাধ বিচার না হয়ে পর্দার অন্তরালে না যাক। দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ সরকারের কাছে প্রত্যাশা করছি। আর যেন কোন পিতার কন্যা রাস্তায় চলতে ভয় না পায়। আর যেন তাকে পুরুষের কালোথাবার ভয় পেতে না হয়।”

সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ বলেন, এখানে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি আমি বলবো, তোমাদের নিজেদের ঘরকে সুন্দর করা চাই, কারণ পরিবার থেকে একটা মানুষ মূল শিক্ষা পেয়ে থাকে। একটা নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি কি হবে, সেই শিক্ষা পরিবার থেকেই পেয়ে থাকে। আর ধর্ষণ নারি নিগ্রহের এক্সট্রিম পর্যায়। এর আরো অনেক ধাপ আছে। আমরা চাই নারীরা ছোট থেকে বড় কোন নিগ্রহের শিকার না হোক। আর এই নিগ্রহের বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা হোক।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দেখি যে আমাদের দেশে দর্শনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আছে কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ নাই। আমরা বলতে পারি না শেষ কবে একজন ধর্ষকের ফাঁসি হয়েছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক। নতুবা নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক। এবং যে রায় হবে তা কার্যকর করা হোক।

উল্লেখ্য, মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ‘”ধর্ষিতা বোনের শাড়ি ঐ আমার রক্তাক্ত জাতীয় পতাকা”আপনার সন্তানকে নারীদের সম্মান দিতে শেখান, ধর্ষক মুক্ত সমাজ চাই, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, সর্বক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, নারী কোনো ভোগের বস্তু নয় নারীর নয়, Safety is the best reform, ধর্ষকের জামিন কেনো, ব্যবস্থা নে হারামজাদা, নইলে সংস্কার চিবিয়ে খাবো, ধর্ষিতার আগে ধর্ষকের মৃত্যু হোক‌ ইত্যাদি লেখা সংযুক্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়।