ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি) Logo মানবতার পথে, সেবার প্রত্যয়ে: বড় ঘাগুটিয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার Logo আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের খলিলুর রহমান Logo মির্জাগঞ্জে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা, জমি দখলকারী মেম্বার সরোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় Logo উদ্বোধনের আগেই ফাটল ধরেছে রাবির ১০ তলা হলে; আতংকে শিক্ষার্থীরা  Logo মারা গেছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ 

‎কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আদিবাসী ছাত্র সংসদ’-এর নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা এর সভাপতিত্বে এবং মং ক্যএ মার্মা ও কাষ্পিয়ান দেওয়ান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা।

‎কুবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা বলেন, “সংখ্যায় কম হলেও চিন্তা-চেতনায় এগিয়ে থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ত্রিপুরা রাজাদের অবদান, বীরচন্দ্র টাউন হল এবং সংগীত কিংবদন্তি সচিন দেববর্মণের স্মৃতি কুমিল্লার গৌরবময় ইতিহাসের অংশ। সচিন দেববর্মণের নামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আবাসিক হল নামকরণের প্রস্তাব রাখছি।”

‎বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “নিজেদের পরিচয় নিয়ে লজ্জিত বা সংকুচিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই প্রথমে বাংলাদেশি। জাতিগত বৈচিত্র্য এই দেশের শক্তি। আমি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। তোমরা প্রতি বছর অন্তত একটি সাহিত্য ম্যাগাজিন প্রকাশ করার চেষ্টা করো, যেখানে সব জাতি ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা লেখার সুযোগ পাবে।”

‎সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা বলেন, “আদিবাসী ছাত্র সংসদ শুধু নবীন বরণ ও বিদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংগঠনের উন্নয়ন ও আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সার্বিক অগ্রগতিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান, অধিকার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সেগুলো বিশ্বপর্যায়ে তুলে ধরাই এই সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও আদিবাসী ছাত্র সংসদ নিজ নিজ অবস্থান থেকে জাতি, এলাকা ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে এই প্রত্যাশা করি।”

‎পরিশেষে, নবীন শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ এবং প্রবীণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

গেমিং প্রযুক্তিতে ২০ বছরের যাত্রা উদ্‌যাপন করলো আসুস রিপাবলিক অফ গেমার্স (আরওজি)

‎কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

প্রকাশিত ০৫:২২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আদিবাসী ছাত্র সংসদ’-এর নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা এর সভাপতিত্বে এবং মং ক্যএ মার্মা ও কাষ্পিয়ান দেওয়ান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা।

‎কুবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা বলেন, “সংখ্যায় কম হলেও চিন্তা-চেতনায় এগিয়ে থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ত্রিপুরা রাজাদের অবদান, বীরচন্দ্র টাউন হল এবং সংগীত কিংবদন্তি সচিন দেববর্মণের স্মৃতি কুমিল্লার গৌরবময় ইতিহাসের অংশ। সচিন দেববর্মণের নামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আবাসিক হল নামকরণের প্রস্তাব রাখছি।”

‎বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “নিজেদের পরিচয় নিয়ে লজ্জিত বা সংকুচিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই প্রথমে বাংলাদেশি। জাতিগত বৈচিত্র্য এই দেশের শক্তি। আমি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। তোমরা প্রতি বছর অন্তত একটি সাহিত্য ম্যাগাজিন প্রকাশ করার চেষ্টা করো, যেখানে সব জাতি ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা লেখার সুযোগ পাবে।”

‎সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা বলেন, “আদিবাসী ছাত্র সংসদ শুধু নবীন বরণ ও বিদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সংগঠনের উন্নয়ন ও আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সার্বিক অগ্রগতিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান, অধিকার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সেগুলো বিশ্বপর্যায়ে তুলে ধরাই এই সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও আদিবাসী ছাত্র সংসদ নিজ নিজ অবস্থান থেকে জাতি, এলাকা ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে এই প্রত্যাশা করি।”

‎পরিশেষে, নবীন শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ এবং প্রবীণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।