ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি Logo লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা Logo এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ

৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সংলগ্ন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তামিম। শনিবার (১৮ এপ্রিল) তেলবাহী ট্যাংক লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আহত তামিমকে তাৎক্ষণিকভাবে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরদিন রোববার সকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এর আগে ট্যাংক লরি মালিক সমিতি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিলেও নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টার মধ্যে তারা উপস্থিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অবরোধের কারণে সড়কে তীব্র যানজট ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আলোচনায় বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, আহত শিক্ষার্থীর পরিবার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আহত শিক্ষার্থীর বাবা শহিদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ, সহ-সভাপতি মীর জিয়া উদ্দিন মিজান এবং বিভাগীয় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি একে এম শহিদুল্লাহ। এছাড়া ববি ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় বহনের অংশ হিসেবে তার বাবা শহিদুল ইসলামের হাতে ৪ লাখ টাকা তুলে দেন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি একে এম শহিদুল্লাহ।

শহিদুল ইসলাম বলেন, “ট্যাংক লরি মালিক সমিতি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে।”

একে এম শহিদুল্লাহ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান করেছি এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার নিয়েছি।”

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা জানান, মালিক সমিতি তাদের চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। ফলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন।

এ ঘটনায় সড়ক নিরাপত্তা জোরদার ও ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয়

নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি

৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার

প্রকাশিত ১১:১৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সংলগ্ন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তামিম। শনিবার (১৮ এপ্রিল) তেলবাহী ট্যাংক লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আহত তামিমকে তাৎক্ষণিকভাবে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরদিন রোববার সকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এর আগে ট্যাংক লরি মালিক সমিতি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিলেও নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টার মধ্যে তারা উপস্থিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অবরোধের কারণে সড়কে তীব্র যানজট ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আলোচনায় বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, আহত শিক্ষার্থীর পরিবার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আহত শিক্ষার্থীর বাবা শহিদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ, সহ-সভাপতি মীর জিয়া উদ্দিন মিজান এবং বিভাগীয় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি একে এম শহিদুল্লাহ। এছাড়া ববি ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় বহনের অংশ হিসেবে তার বাবা শহিদুল ইসলামের হাতে ৪ লাখ টাকা তুলে দেন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি একে এম শহিদুল্লাহ।

শহিদুল ইসলাম বলেন, “ট্যাংক লরি মালিক সমিতি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে।”

একে এম শহিদুল্লাহ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান করেছি এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার নিয়েছি।”

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা জানান, মালিক সমিতি তাদের চার দফা দাবি মেনে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। ফলে তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন।

এ ঘটনায় সড়ক নিরাপত্তা জোরদার ও ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।