ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কুবিতে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

‎শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল ১০টায় কুরআন খতম এবং জুমার নামাজ শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম, আইন অনুষদের ডিন ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসাইন, ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক ও লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

‎দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

‎ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “তৎকালীন সময়ে যে সকল চৌকস সেনাবাহিনী ছিলেন তার মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন অন্যতম। তিনি ১৯৭১ সালের   চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সাহসিকতার সাথে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। যুদ্ধ পরবর্তী দেশ পূণর্গঠনে ওনার  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দুর্ভিক্ষের সময় খাবারের জোগান দিয়ে দেশের মানুষকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। তিনি ৪৫ বছর বেঁচে ছিলেন, এই ৪৫ বছরে তিনি যা করে গেছেন তা শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বে অনন্য। বর্তমানে ওনার ছেলে জনাব তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করছেন, ওনি যাতে দেশকে একটা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে সেই কামনা করি।”

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘পৃথিবীতে মানুষ আসে এবং যায়, ভালো মানুষ তার কাজের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভালো কাজের জন্য আমরা তাকে এখনো স্মরণ করছি৷ তিনি জনগনের সমর্থনে দেশ পরিচালনা করেছেন, এরপর ওনার সহধর্মিনী, এখন ওনার ছেলে তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করছেন। এই নজির বিশ্বের অন্য কোথাও নাই।”

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক মানুষ এই পৃথিবীতে আসে। তাদের কারো মধ্যে দেশ রক্ষা, দেশ গঠন, দেশ উন্নয়নের সুযোগও আসে। তাদের এই কর্মফলের মাধ্যমেই তারা ইহকাল ও পরকালে সম্মানিত হয়। আজ রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্দেশ্যে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে, যিনি ছিলেন আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি তার সংক্ষিপ্ত জীবন ও শাসনামলে দেশ গঠন, প্রতিবেশী ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ ৪৫ বছর পরে আমরা এমন একটি মানুষকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি, যিনি তার কর্ম, জীবন ও অবদান দিয়ে আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমরা রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া কামনা করি এবং তার পরিবারের শান্তি, সম্মান যেন অক্ষুণ্ণ থাকে এই কামনা করি।”

জনপ্রিয়

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে রাবি উপাচার্যের বৃক্ষরোপণ : ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের অঙ্গিকার

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কুবিতে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত ১১:০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

‎শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল ১০টায় কুরআন খতম এবং জুমার নামাজ শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম, আইন অনুষদের ডিন ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসাইন, ইউট্যাবের সাধারণ সম্পাদক ও লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

‎দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

‎ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “তৎকালীন সময়ে যে সকল চৌকস সেনাবাহিনী ছিলেন তার মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন অন্যতম। তিনি ১৯৭১ সালের   চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সাহসিকতার সাথে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। যুদ্ধ পরবর্তী দেশ পূণর্গঠনে ওনার  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দুর্ভিক্ষের সময় খাবারের জোগান দিয়ে দেশের মানুষকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। তিনি ৪৫ বছর বেঁচে ছিলেন, এই ৪৫ বছরে তিনি যা করে গেছেন তা শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বে অনন্য। বর্তমানে ওনার ছেলে জনাব তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করছেন, ওনি যাতে দেশকে একটা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে সেই কামনা করি।”

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘পৃথিবীতে মানুষ আসে এবং যায়, ভালো মানুষ তার কাজের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভালো কাজের জন্য আমরা তাকে এখনো স্মরণ করছি৷ তিনি জনগনের সমর্থনে দেশ পরিচালনা করেছেন, এরপর ওনার সহধর্মিনী, এখন ওনার ছেলে তারেক রহমান দেশ পরিচালনা করছেন। এই নজির বিশ্বের অন্য কোথাও নাই।”

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক মানুষ এই পৃথিবীতে আসে। তাদের কারো মধ্যে দেশ রক্ষা, দেশ গঠন, দেশ উন্নয়নের সুযোগও আসে। তাদের এই কর্মফলের মাধ্যমেই তারা ইহকাল ও পরকালে সম্মানিত হয়। আজ রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্দেশ্যে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে, যিনি ছিলেন আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি তার সংক্ষিপ্ত জীবন ও শাসনামলে দেশ গঠন, প্রতিবেশী ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ ৪৫ বছর পরে আমরা এমন একটি মানুষকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি, যিনি তার কর্ম, জীবন ও অবদান দিয়ে আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমরা রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া কামনা করি এবং তার পরিবারের শান্তি, সম্মান যেন অক্ষুণ্ণ থাকে এই কামনা করি।”