ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি Logo লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা Logo এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ

সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে

সৌদি আরবে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অন্য পাঁচজন নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সৌদি আরবে একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়ার কথা জানান। তবে নওগাঁসহ বিভিন্ন জেলার কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি। নিহতের সংখ্যা ও পরিচয় আগামীকাল সকালে নিশ্চিতভাবে জানা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালি, ডুবাই, বৈঠাখালি, খনজোর, পারকসুন্দা ও দিঘিরপাড়সহ আশপাশের এলাকার কয়েকজন রয়েছেন। এ ছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের একজনও নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সৌদি আরবে একই কারখানায় কাজ করেন আত্রাই উপজেলার মহোনঘোষ গ্রামের জহরুল ইসলাম। বর্তমানে ছুটিতে দেশে থাকা জহরুল ইসলাম স্থানীয়দের মাধ্যমে নিহত কয়েকজনের পরিচয় জানতে পেরেছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের গুফফার প্রামাণিক এবং তাঁর দুই ছেলে মহুন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক রয়েছেন। একই গ্রামের জান্নার ছেলে রুবেল হোসেন এবং ফজলুর ছেলে কলি প্রামাণিকও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ, বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের মৃত বাদলের ছেলে সুমন, চঞ্চলের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, মৃত রুহুলের ছেলে সুমন এবং পাচুপুর ইউনিয়নের পারকসুন্দা গ্রামের জলিলের নামও নিহতদের তালিকায় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তবে সৌদি আরবে নিহত বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও জেলা-উপজেলাভিত্তিক সংখ্যা এখনো সরকারি পর্যায়ে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে স্থানীয়ভাবে পাওয়া নামের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সৌদি আরবে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য তিনি পেয়েছেন। তবে নওগাঁ বা অন্য জেলার কতজন এতে নিহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে আগামীকাল সকালে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

জনপ্রিয়

নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি

সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশিত ১২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরবে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অন্য পাঁচজন নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সৌদি আরবে একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়ার কথা জানান। তবে নওগাঁসহ বিভিন্ন জেলার কতজন নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি। নিহতের সংখ্যা ও পরিচয় আগামীকাল সকালে নিশ্চিতভাবে জানা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালি, ডুবাই, বৈঠাখালি, খনজোর, পারকসুন্দা ও দিঘিরপাড়সহ আশপাশের এলাকার কয়েকজন রয়েছেন। এ ছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের একজনও নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সৌদি আরবে একই কারখানায় কাজ করেন আত্রাই উপজেলার মহোনঘোষ গ্রামের জহরুল ইসলাম। বর্তমানে ছুটিতে দেশে থাকা জহরুল ইসলাম স্থানীয়দের মাধ্যমে নিহত কয়েকজনের পরিচয় জানতে পেরেছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের গুফফার প্রামাণিক এবং তাঁর দুই ছেলে মহুন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক রয়েছেন। একই গ্রামের জান্নার ছেলে রুবেল হোসেন এবং ফজলুর ছেলে কলি প্রামাণিকও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ, বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের মৃত বাদলের ছেলে সুমন, চঞ্চলের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, মৃত রুহুলের ছেলে সুমন এবং পাচুপুর ইউনিয়নের পারকসুন্দা গ্রামের জলিলের নামও নিহতদের তালিকায় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তবে সৌদি আরবে নিহত বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও জেলা-উপজেলাভিত্তিক সংখ্যা এখনো সরকারি পর্যায়ে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে স্থানীয়ভাবে পাওয়া নামের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সৌদি আরবে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য তিনি পেয়েছেন। তবে নওগাঁ বা অন্য জেলার কতজন এতে নিহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে আগামীকাল সকালে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।