ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo উত্তরার বারে তাহসিফের সঙ্গে দেখা যাওয়া তরুণী গ্রেপ্তার Logo ‘অসত্য বয়ানের’ অভিযোগ, আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়লেন রাশেদ Logo ইতালিতে ‘ভুল অনুবাদের’ অভিযোগে বাংলাদেশি দোভাষী আটক Logo অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ছাড়াও ব্যক্তিত্বের রয়েছে আরও দুটি ধরন Logo চুক্তি আছে, কর্মী নেই: গ্রিসের শ্রমবাজারে পিছিয়ে বাংলাদেশ Logo গোল করার পর ইয়ামালকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া ‘সহজ’ Logo যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী দিবসে বাংলাদেশিসহ ৭ জনকে সম্মাননা Logo শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেল ববির শিক্ষার্থীদের সংগঠন ODM Logo জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয় উচ্ছেদের চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ ছাত্র ইউনিয়নের Logo পাবিপ্রবিতে ১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে

চট্টগ্রাম নগরের আকবর শাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি এলাকা থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার এক উপপরিদর্শককে (এসআই) এক নারীর সঙ্গে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আকবর শাহ থানা পুলিশ তাদের আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না এবং আটক নারীর বয়স ৩৯ বছর যিনি সম্পর্কে একজন প্রবাসীর স্ত্রী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীর স্বামী প্রবাসে অবস্থান করছেন এবং এর আগে আকবর শাহ থানায় কর্মরত থাকার সুবাদে এসআই নুরুন্নবীর সঙ্গে ওই পরিবারের পরিচয় ঘটে। পরবর্তীতে এই পরিচয়ের সূত্র ধরে পুলিশ কর্মকর্তা নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে একটি বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওই পুলিশ কর্মকর্তা রাতে প্রবাসীর বাসায় অবস্থান করেন যা স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে।

ঘটনার দিন স্থানীয় লোকজন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দুজনকে একসঙ্গে দেখতে পান এবং পরবর্তীতে তাদের আটক করে পুলিশে খবর পাঠান। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানার একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের জিম্মাদাতা থেকে ওই পুলিশ সদস্য ও নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আটকের পর প্রবাসীর ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে অভিযুক্তরা কেবল অনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেই জড়িত নন, বরং তারা প্রবাসীর ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রীও আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, প্রবাসে থাকা স্বামীর কষ্টার্জিত অর্থ ও প্রবাস থেকে পাঠানো প্রায় ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা বাসা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান যে আসামিদের বিরুদ্ধে পরকীয়া বা ব্যভিচারের পাশাপাশি মারধর, চুরি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান যে সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

উত্তরার বারে তাহসিফের সঙ্গে দেখা যাওয়া তরুণী গ্রেপ্তার

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে

প্রকাশিত ০৩:৩১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের আকবর শাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি এলাকা থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী থানার এক উপপরিদর্শককে (এসআই) এক নারীর সঙ্গে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আকবর শাহ থানা পুলিশ তাদের আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না এবং আটক নারীর বয়স ৩৯ বছর যিনি সম্পর্কে একজন প্রবাসীর স্ত্রী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীর স্বামী প্রবাসে অবস্থান করছেন এবং এর আগে আকবর শাহ থানায় কর্মরত থাকার সুবাদে এসআই নুরুন্নবীর সঙ্গে ওই পরিবারের পরিচয় ঘটে। পরবর্তীতে এই পরিচয়ের সূত্র ধরে পুলিশ কর্মকর্তা নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে একটি বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওই পুলিশ কর্মকর্তা রাতে প্রবাসীর বাসায় অবস্থান করেন যা স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে।

ঘটনার দিন স্থানীয় লোকজন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দুজনকে একসঙ্গে দেখতে পান এবং পরবর্তীতে তাদের আটক করে পুলিশে খবর পাঠান। খবর পেয়ে আকবর শাহ থানার একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের জিম্মাদাতা থেকে ওই পুলিশ সদস্য ও নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আটকের পর প্রবাসীর ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে অভিযুক্তরা কেবল অনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেই জড়িত নন, বরং তারা প্রবাসীর ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রীও আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, প্রবাসে থাকা স্বামীর কষ্টার্জিত অর্থ ও প্রবাস থেকে পাঠানো প্রায় ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা বাসা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান যে আসামিদের বিরুদ্ধে পরকীয়া বা ব্যভিচারের পাশাপাশি মারধর, চুরি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে। আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান যে সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।