ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মাদারীপুরে শতাধিক বাড়িতে হামলা-লুটপাট Logo রোমানদের ১৬০০ বছরের পুরনো কাচশিল্পের রহস্য উদ্ধার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না: নাহিদ ইসলাম Logo ইবিতে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশন’ কর্মশালা: গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত Logo হালকা রংয়ের ঘরে আভিজাত্যের ছোঁয়া দেওয়ার কৌশল Logo দেশ গঠনে প্রতিটি প্রবাসীকে ‘অ্যাম্বাসেডর’ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মালয়েশিয়ায় হুন্ডি চক্রের সন্ধান, ৮ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার Logo জাতীয় সাঁতারে প্রথম দিনে ৬ রেকর্ড Logo আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে আসছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ এবং এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু রোগীদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি এবং সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দিয়ে এই রোগের সূচনা হয়। অনেক সময় অভিভাবকেরা সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে এই লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ে সমস্ত টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। তাদের মতে, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া, কোনো শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ অনুযায়ী ঘরে বা হাসপাতালে চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তে হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, প্রান্তিক পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তারা যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা যায়। অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণই পারে শিশুদের এই মারাত্মক সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে।

জনপ্রিয়

মাদারীপুরে শতাধিক বাড়িতে হামলা-লুটপাট

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত ০৭:০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে আসছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ এবং এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু রোগীদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি এবং সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ দিয়ে এই রোগের সূচনা হয়। অনেক সময় অভিভাবকেরা সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে এই লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ে সমস্ত টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার ওপর বিশেষভাবে জোর দিচ্ছেন। তাদের মতে, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা গ্রহণের মাধ্যমেই কেবল এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া, কোনো শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ অনুযায়ী ঘরে বা হাসপাতালে চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তে হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে, প্রান্তিক পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তারা যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করা যায়। অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণই পারে শিশুদের এই মারাত্মক সংক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে।