ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ওজন কমছে না? জেনে নিন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ৮টি ভুল অভ্যাস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অনেকেই কঠোর ডায়েট ও নিয়মিত ব্যায়াম করার পরও কাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে পারেন না। এর পেছনে দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু সাধারণ ভুল অভ্যাস লুকিয়ে থাকতে পারে। শুধু কম খাওয়া বা অতিরিক্ত ব্যায়াম করলেই ওজন কমে না, বরং সঠিক জীবনধারা জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন কমানোর চেষ্টা সফল করতে সুষম খাদ્યાভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় ভুল হলো দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া, যার ফলে শরীর তাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় শুধু হাঁটা বা দৌড়ানোর ওপর নির্ভর করা হয়, অথচ পেশির শক্তি বাড়াতে শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও প্রয়োজন। এছাড়া, ব্যায়াম করার পরই অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেলা এবং দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করা সম্ভব নয় ভেবে শারীরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখা ওজন হ্রাসে বাধা সৃষ্টি করে।

ক্লান্তি বা কাজের চাপের কারণে ব্যায়াম একেবারে বাদ না দিয়ে হালকা শরীরচর্চা চালিয়ে যাওয়া ভালো। অন্যদিকে, ওজন কমাতে গিয়ে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ কিংবা সকালের নাশতায় শুধু ফলের রস পান করার মতো অভ্যাস থেকেও বিরত থাকা উচিত। ফলের রসে আঁশ কম থাকায় এটি পুরো ফলের মতো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে না।

খাবার ও ব্যায়ামের পাশাপাশি অপর্যাপ্ত ঘুমও ওজন নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে ক্লান্তি থাকে এবং অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে। তাই সুষম খাবার খাওয়া, পরিমিত ঘুম এবং ধৈর্য ধরে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল স্থায়ীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

জনপ্রিয়

‘আহা জীবন’: জুটি বাঁধলেন ইরফান-সুনেরাহ

ওজন কমছে না? জেনে নিন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ৮টি ভুল অভ্যাস

প্রকাশিত ০৫:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অনেকেই কঠোর ডায়েট ও নিয়মিত ব্যায়াম করার পরও কাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে পারেন না। এর পেছনে দৈনন্দিন জীবনের বেশ কিছু সাধারণ ভুল অভ্যাস লুকিয়ে থাকতে পারে। শুধু কম খাওয়া বা অতিরিক্ত ব্যায়াম করলেই ওজন কমে না, বরং সঠিক জীবনধারা জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন কমানোর চেষ্টা সফল করতে সুষম খাদ્યાভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় ভুল হলো দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া, যার ফলে শরীর তাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। অনেক সময় শুধু হাঁটা বা দৌড়ানোর ওপর নির্ভর করা হয়, অথচ পেশির শক্তি বাড়াতে শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও প্রয়োজন। এছাড়া, ব্যায়াম করার পরই অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেলা এবং দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করা সম্ভব নয় ভেবে শারীরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখা ওজন হ্রাসে বাধা সৃষ্টি করে।

ক্লান্তি বা কাজের চাপের কারণে ব্যায়াম একেবারে বাদ না দিয়ে হালকা শরীরচর্চা চালিয়ে যাওয়া ভালো। অন্যদিকে, ওজন কমাতে গিয়ে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ কিংবা সকালের নাশতায় শুধু ফলের রস পান করার মতো অভ্যাস থেকেও বিরত থাকা উচিত। ফলের রসে আঁশ কম থাকায় এটি পুরো ফলের মতো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে না।

খাবার ও ব্যায়ামের পাশাপাশি অপর্যাপ্ত ঘুমও ওজন নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে ক্লান্তি থাকে এবং অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে। তাই সুষম খাবার খাওয়া, পরিমিত ঘুম এবং ধৈর্য ধরে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল স্থায়ীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।