ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

শুধু টমেটো নয়, কলা দিয়েও তৈরি হয় কেচাপ, দেখে নিন রেসিপি

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বার্গার বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা লাল রঙের কেচাপ সাধারণত টমেটো দিয়ে তৈরি হলেও ফিলিপাইনে কলা দিয়েও এই সস তৈরি করা হয়। মিষ্টি, টক ও মসলার স্বাদের মিশেলে তৈরি বানানা কেচাপ দেশটির খাদ্য সংস্কৃতিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় টমেটোর সরবরাহ কমে গেলে এবং কলার প্রাচুর্য থাকায় খাদ্যপ্রযুক্তিবিদ মারিয়া ইয়ালাগান ওরোসা এই বিকল্প সস তৈরির ধারণা জনপ্রিয় করেন। ১৯৪০-এর দশকের দিকে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার পর এটি ফিলিপাইনের ঘরে ঘরে স্থায়ী আসন করে নেয়।

বাণিজ্যিকভাবে তৈরি কিছু বানানা কেচাপে লাল খাদ্য রং ব্যবহার করা হলেও এর আসল রং ও স্বাদ নির্ভর করে ব্যবহৃত উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালীর ওপর। টমেটো কেচাপের তুলনায় এই সস সাধারণত বেশি মিষ্টি ও ফলের স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে, যেখানে ভিনেগার ও মসলার মিশ্রণ ভারসাম্য বজায় রাখে। পাকা কলা চটকে বা ব্লেন্ড করে ভিনেগার, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন মসলার সঙ্গে রান্না করে এই ঘন মিশ্রণ তৈরি করা হয়। স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে এতে মরিচ বা অন্যান্য মসলাও যোগ করা সম্ভব।

ফিলিপাইনে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, হট ডগ, ভাজা মুরগি কিংবা ঐতিহ্যবাহী লুম্পিয়ার সঙ্গে এই সস পরিবেশন করা হয়। এমনকি দেশটির জনপ্রিয় মিষ্টি-ঝাল স্প্যাগেটি তৈরি কিংবা মাংস মেরিনেট করার কাজেও বানানা কেচাপ ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও কলা সহজলভ্য হওয়ায় ঘরে বসেই এই সুস্বাদু সস তৈরি করা বেশ সহজ।

ঘরে ফিলিপাইন স্টাইল বানানা কেচাপ বানাতে দুই কাপ চটকে নেওয়া পাকা কলার সঙ্গে পেঁয়াজকুচি, রসুনকুচি, আদা, ভিনেগার, চিনি এবং পছন্দমতো মসলা প্রয়োজন হয়। কড়াইতে সামান্য তেলে পেঁয়াজ ও রসুন নরম করে ভেজে নিয়ে কলা, চিনি, ভিনেগার ও মসলা মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ঘন করতে হবে। মিশ্রণটি ভালোভাবে রান্না হওয়ার পর চুলা থেকে নামিয়ে ব্লেন্ড করলেই তৈরি হয়ে যাবে একদম মসৃণ সস। ঠান্ডা করে কাচের বয়ামে ভরে এই কেচাপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

জনপ্রিয়

রূপকথার ডাইনিরা কেন ঝাড়ুতে চড়ে উড়ে বেড়ায়?

শুধু টমেটো নয়, কলা দিয়েও তৈরি হয় কেচাপ, দেখে নিন রেসিপি

প্রকাশিত ০৯:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বার্গার বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা লাল রঙের কেচাপ সাধারণত টমেটো দিয়ে তৈরি হলেও ফিলিপাইনে কলা দিয়েও এই সস তৈরি করা হয়। মিষ্টি, টক ও মসলার স্বাদের মিশেলে তৈরি বানানা কেচাপ দেশটির খাদ্য সংস্কৃতিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় টমেটোর সরবরাহ কমে গেলে এবং কলার প্রাচুর্য থাকায় খাদ্যপ্রযুক্তিবিদ মারিয়া ইয়ালাগান ওরোসা এই বিকল্প সস তৈরির ধারণা জনপ্রিয় করেন। ১৯৪০-এর দশকের দিকে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার পর এটি ফিলিপাইনের ঘরে ঘরে স্থায়ী আসন করে নেয়।

বাণিজ্যিকভাবে তৈরি কিছু বানানা কেচাপে লাল খাদ্য রং ব্যবহার করা হলেও এর আসল রং ও স্বাদ নির্ভর করে ব্যবহৃত উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালীর ওপর। টমেটো কেচাপের তুলনায় এই সস সাধারণত বেশি মিষ্টি ও ফলের স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে, যেখানে ভিনেগার ও মসলার মিশ্রণ ভারসাম্য বজায় রাখে। পাকা কলা চটকে বা ব্লেন্ড করে ভিনেগার, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও বিভিন্ন মসলার সঙ্গে রান্না করে এই ঘন মিশ্রণ তৈরি করা হয়। স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে এতে মরিচ বা অন্যান্য মসলাও যোগ করা সম্ভব।

ফিলিপাইনে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, হট ডগ, ভাজা মুরগি কিংবা ঐতিহ্যবাহী লুম্পিয়ার সঙ্গে এই সস পরিবেশন করা হয়। এমনকি দেশটির জনপ্রিয় মিষ্টি-ঝাল স্প্যাগেটি তৈরি কিংবা মাংস মেরিনেট করার কাজেও বানানা কেচাপ ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও কলা সহজলভ্য হওয়ায় ঘরে বসেই এই সুস্বাদু সস তৈরি করা বেশ সহজ।

ঘরে ফিলিপাইন স্টাইল বানানা কেচাপ বানাতে দুই কাপ চটকে নেওয়া পাকা কলার সঙ্গে পেঁয়াজকুচি, রসুনকুচি, আদা, ভিনেগার, চিনি এবং পছন্দমতো মসলা প্রয়োজন হয়। কড়াইতে সামান্য তেলে পেঁয়াজ ও রসুন নরম করে ভেজে নিয়ে কলা, চিনি, ভিনেগার ও মসলা মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ঘন করতে হবে। মিশ্রণটি ভালোভাবে রান্না হওয়ার পর চুলা থেকে নামিয়ে ব্লেন্ড করলেই তৈরি হয়ে যাবে একদম মসৃণ সস। ঠান্ডা করে কাচের বয়ামে ভরে এই কেচাপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।