ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে আবারও আটক সিজেপির সৌরভ দাস-আশুতোষ রাঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ১৩ অক্টোবর সকালে ঘটা এই ঘটনায় সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ছাড়াও অজিঙ্কা শিন্ডে নামের এক সমর্থকসহ আরও কয়েকজন আটক হয়েছেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দলটির নেতাকর্মীরা এই প্রচেষ্টা চালান।

এর আগে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পেয়ে দলটি সেখানে কর্মসূচি পালনের জন্য নির্দিষ্ট দিন ধার্য করতে পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। তবে এর ঠিক এক দিন আগেই দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং বিকল্প হিসেবে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান ব্যবহারের কথা জানায়। বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা থাকলেও সিজেপি যন্তর মন্তরেই তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিজেপির সমর্থকরা ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে একটি বন্ধ ফটক টপকে চত্বরে প্রবেশ করছেন এবং ‘ভারতমাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছেন। চত্বরে প্রবেশ করার পরপরই পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করেন। ভিডিওটি প্রকাশ করে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন যে তিনি এই বিক্ষোভ বন্ধ করতে পারবেন না।

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পাওয়ার পরও সেখানে জোরপূর্বক প্রবেশের এই ঘটনা দিল্লি পুলিশ ও সিজেপির মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। দলটির অনড় অবস্থানের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয়

‘এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা’

দিল্লিতে আবারও আটক সিজেপির সৌরভ দাস-আশুতোষ রাঙ্কা

প্রকাশিত ০৫:২২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ১৩ অক্টোবর সকালে ঘটা এই ঘটনায় সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ছাড়াও অজিঙ্কা শিন্ডে নামের এক সমর্থকসহ আরও কয়েকজন আটক হয়েছেন। বিক্ষোভ প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দলটির নেতাকর্মীরা এই প্রচেষ্টা চালান।

এর আগে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পেয়ে দলটি সেখানে কর্মসূচি পালনের জন্য নির্দিষ্ট দিন ধার্য করতে পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। তবে এর ঠিক এক দিন আগেই দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং বিকল্প হিসেবে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান ব্যবহারের কথা জানায়। বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা থাকলেও সিজেপি যন্তর মন্তরেই তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিজেপির সমর্থকরা ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে একটি বন্ধ ফটক টপকে চত্বরে প্রবেশ করছেন এবং ‘ভারতমাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছেন। চত্বরে প্রবেশ করার পরপরই পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করেন। ভিডিওটি প্রকাশ করে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন যে তিনি এই বিক্ষোভ বন্ধ করতে পারবেন না।

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি না পাওয়ার পরও সেখানে জোরপূর্বক প্রবেশের এই ঘটনা দিল্লি পুলিশ ও সিজেপির মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। দলটির অনড় অবস্থানের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।