ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

নিজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এআই, সতর্ক করল অ্যানথ্রপিক

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইন্টারনেটে সংযুক্ত বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলগুলোর নিজেদের অনুলিপি তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা অর্জনের আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে যে, এই পূর্ণ সক্ষমতা তৈরি হতে আর মাত্র কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। ছোট আকারের এআই মডেলগুলো আইওটি ডিভাইসের মাধ্যমে খুব দ্রুত নিজেদের বিস্তার ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

গবেষণাকালে অ্যানথ্রপিক খতিয়ে দেখেছে মডেলগুলো নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকা যন্ত্রগুলো চিহ্নিত করতে এবং সেখানে নিজেদের অনুলিপি স্থাপন করতে সক্ষম কি না। পরীক্ষামূলক ফলাফলে দেখা গেছে, ত্রিশ বিলিয়ন প্যারামিটারের কম আকারের মডেলগুলোও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রাথমিক ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে। তবে মানুষের সরাসরি সহযোগিতা ছাড়া পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে এগুলো এখনো কিছু জটিলতার মুখে পড়ছে।

নিরাপত্তার কিছু নির্দিষ্ট শর্ত শিথিল করে পরীক্ষা পরিচালনা করা হলে জিএলএম-৫.২ এবং সমমানের শক্তিশালী মডেলগুলো পুরো প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করতে পেরেছে। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, একবার এ ধরনের মডেল ছড়িয়ে পড়লে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে কারণ এগুলোর জন্য কোনো কেন্দ্রীয় সুইচ থাকে না। প্রচলিত ক্ষতিকর সফটওয়্যারের বিপরীতে এসব মডেল অজানা যন্ত্রের ধরনও খুব সহজে নিজে থেকেই বুঝে নিতে পারে।

স্মার্ট ওভেন কিংবা নামহীন অ্যান্ড্রয়েড টিভি বক্সের মতো দুর্বল নিরাপত্তার গৃহস্থালি গ্যাজেটগুলোকে প্রধানত লক্ষ্যবস্তু করছে এসব প্রযুক্তি। এই সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মডেলগুলো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অনুলিপি ছড়াতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে এই ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্তার রোধ করতে হলে কম্পিউটিং ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে অ্যানথ্রপিক।

জনপ্রিয়

হুতি কারা, কী চায় তারা?

নিজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এআই, সতর্ক করল অ্যানথ্রপিক

প্রকাশিত ০৪:২২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: ইন্টারনেটে সংযুক্ত বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলগুলোর নিজেদের অনুলিপি তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা অর্জনের আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে যে, এই পূর্ণ সক্ষমতা তৈরি হতে আর মাত্র কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। ছোট আকারের এআই মডেলগুলো আইওটি ডিভাইসের মাধ্যমে খুব দ্রুত নিজেদের বিস্তার ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

গবেষণাকালে অ্যানথ্রপিক খতিয়ে দেখেছে মডেলগুলো নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকা যন্ত্রগুলো চিহ্নিত করতে এবং সেখানে নিজেদের অনুলিপি স্থাপন করতে সক্ষম কি না। পরীক্ষামূলক ফলাফলে দেখা গেছে, ত্রিশ বিলিয়ন প্যারামিটারের কম আকারের মডেলগুলোও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রাথমিক ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে। তবে মানুষের সরাসরি সহযোগিতা ছাড়া পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে এগুলো এখনো কিছু জটিলতার মুখে পড়ছে।

নিরাপত্তার কিছু নির্দিষ্ট শর্ত শিথিল করে পরীক্ষা পরিচালনা করা হলে জিএলএম-৫.২ এবং সমমানের শক্তিশালী মডেলগুলো পুরো প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করতে পেরেছে। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, একবার এ ধরনের মডেল ছড়িয়ে পড়লে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে কারণ এগুলোর জন্য কোনো কেন্দ্রীয় সুইচ থাকে না। প্রচলিত ক্ষতিকর সফটওয়্যারের বিপরীতে এসব মডেল অজানা যন্ত্রের ধরনও খুব সহজে নিজে থেকেই বুঝে নিতে পারে।

স্মার্ট ওভেন কিংবা নামহীন অ্যান্ড্রয়েড টিভি বক্সের মতো দুর্বল নিরাপত্তার গৃহস্থালি গ্যাজেটগুলোকে প্রধানত লক্ষ্যবস্তু করছে এসব প্রযুক্তি। এই সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মডেলগুলো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অনুলিপি ছড়াতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে এই ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্তার রোধ করতে হলে কম্পিউটিং ব্যবস্থা এবং ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে অ্যানথ্রপিক।