ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

দোকান বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দোকান বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই বার্তা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ওই সময় সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন। কমিশন বাড়ানো ও সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে নির্দিষ্ট সময়ে সারা দেশে এলপিজির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

জ্বালানিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এলপিজি একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হওয়ায় এর সরবরাহ বন্ধ করে দাবি আদায়ের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা ও আমদানির নানা দিক নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে সরকারের ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিইআরসির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও ধর্মঘটের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন যে ব্যবসায়িক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তবে বাজার পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে জিম্মি করার কোনো অপচেষ্টা সরকার বরদাশত করবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডিলার পর্যায়ে অনিয়ম রোধ করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনকে ইতিমধ্যে সক্রিয় করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবেলায় বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আমদানির কৌশল নিয়ে আলোচনা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে দামের পার্থক্যের বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিয়ে জানান যে প্রতিবেশী দেশে সরকারিভাবে ভর্তুকি দেওয়া হলেও বাংলাদেশে উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করায় এর প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ছে। ভোক্তাদের জন্য সহনীয় দামে জ্বালানির সরবরাহ বজায় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আগামী ৩০ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুনরায় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ করার মত পরিকল্পনা নাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দোকান বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী

প্রকাশিত ০১:৫২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দোকান বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই বার্তা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ওই সময় সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন। কমিশন বাড়ানো ও সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবিতে নির্দিষ্ট সময়ে সারা দেশে এলপিজির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

জ্বালানিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে এলপিজি একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হওয়ায় এর সরবরাহ বন্ধ করে দাবি আদায়ের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা ও আমদানির নানা দিক নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে সরকারের ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিইআরসির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও ধর্মঘটের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন যে ব্যবসায়িক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তবে বাজার পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে জিম্মি করার কোনো অপচেষ্টা সরকার বরদাশত করবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডিলার পর্যায়ে অনিয়ম রোধ করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনকে ইতিমধ্যে সক্রিয় করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবেলায় বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আমদানির কৌশল নিয়ে আলোচনা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে দামের পার্থক্যের বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিয়ে জানান যে প্রতিবেশী দেশে সরকারিভাবে ভর্তুকি দেওয়া হলেও বাংলাদেশে উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামা করায় এর প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ছে। ভোক্তাদের জন্য সহনীয় দামে জ্বালানির সরবরাহ বজায় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আগামী ৩০ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুনরায় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।