ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসছেন কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: বাংলাদেশের কৃষকদের ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সুযোগ তৈরি করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএফপিআরআই যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং আইএফপিআরআইয়ের পক্ষে জোহান সোয়িনেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের ইমপ্যাক্ট-ড্রিভেন এসএমই ইনোভেশন ল্যাব ‘ফিনোভিশন’-এর আওতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গেটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় পরিচালিত এই কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত কৃষি খাতের বিভিন্ন স্তরে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ঘটানোই এই যৌথ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট দুই বছর মেয়াদি এই পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষক এবং কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের ডিজিটাল লেনদেন কাঠামোর ভেতরে নিয়ে আসা হবে। তাদের নিয়মিত ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস যাচাই করে পরবর্তীতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। এর ফলে এতদিন যারা সাধারণত অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে ঋণ নিতেন, তারা সহজেই প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ সুবিধা পাবেন।

এই বিশেষ উদ্যোগের আওতায় মোট ৫০ হাজার কৃষক এবং ১ হাজার ৫০০ কৃষি উপকরণ বিক্রেতাকে যুক্ত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে কৃষি খাতের অর্থায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। এই পদক্ষেপ দেশের সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয়

৩৫০ দিনে প্রথম হার বার্সেলোনার

ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসছেন কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা

প্রকাশিত ০১:০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: বাংলাদেশের কৃষকদের ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সুযোগ তৈরি করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএফপিআরআই যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং আইএফপিআরআইয়ের পক্ষে জোহান সোয়িনেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের ইমপ্যাক্ট-ড্রিভেন এসএমই ইনোভেশন ল্যাব ‘ফিনোভিশন’-এর আওতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গেটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় পরিচালিত এই কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত কৃষি খাতের বিভিন্ন স্তরে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ঘটানোই এই যৌথ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট দুই বছর মেয়াদি এই পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষক এবং কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের ডিজিটাল লেনদেন কাঠামোর ভেতরে নিয়ে আসা হবে। তাদের নিয়মিত ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস যাচাই করে পরবর্তীতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। এর ফলে এতদিন যারা সাধারণত অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে ঋণ নিতেন, তারা সহজেই প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ সুবিধা পাবেন।

এই বিশেষ উদ্যোগের আওতায় মোট ৫০ হাজার কৃষক এবং ১ হাজার ৫০০ কৃষি উপকরণ বিক্রেতাকে যুক্ত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে কৃষি খাতের অর্থায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। এই পদক্ষেপ দেশের সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।