ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার Logo জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা দৃশ‍্যত ‘জিম্মিদশায় আবদ্ধ’: টিআইবি Logo শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার Logo ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান: জরিমানার অর্থ মৃতদের পরিবারকে দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন ডিএসসিসি প্রশাসক Logo প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা-সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ Logo খাদ্যের পরিমাণ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে Logo পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন, সম্পাদক শিবলী Logo ‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’ Logo ভুয়া মেসেজ পেলেই সতর্ক করবে গুগলের জেমিনাই এআই Logo সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কারাগারে

খাদ্যের পরিমাণ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: খাদ্য উৎপাদনে শুধু পরিমাণ বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির কথা মাথায় রেখে নিরাপদ এবং মানসম্মত খাদ্য জোগান দেওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি। ১৬ অক্টোবর রাজধানী ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মিলনায়তনে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্বজুড়ে পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে রেখে কৃষিতে নিরাপদ উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বর্তমান বিশ্বের খাদ্যসংকটের পাশাপাশি খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার প্রসঙ্গটি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। তরুণ প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসায় চালের পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলের চাহিদা বাড়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এই বাস্তবতায় কৃষির পরিকল্পনা ও উৎপাদনে নতুন ধারা এনে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। অধিক ফলন পাওয়ার আশায় জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে খাদ্যদূষণ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

কৃষকদের সুরক্ষায় সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। কোন মৌসুমে কী পরিমাণ পণ্যের চাহিদা রয়েছে তা নির্ধারণ করে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কথাও জানান তিনি। এতে কৃষি উৎপাদন এবং বাজারের চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। তরুণদের কৃষিতে আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খাতটিকে লাভজনক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. খোন্দকার মো. ইফতেখারুদ্দৌলা। এ বছরের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ছিল ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামী দিনের সমৃদ্ধি’। কৃষিকে আরও টেকসই ও উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তর করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার

খাদ্যের পরিমাণ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে

প্রকাশিত ০৮:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: খাদ্য উৎপাদনে শুধু পরিমাণ বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির কথা মাথায় রেখে নিরাপদ এবং মানসম্মত খাদ্য জোগান দেওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি। ১৬ অক্টোবর রাজধানী ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মিলনায়তনে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্বজুড়ে পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে রেখে কৃষিতে নিরাপদ উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বর্তমান বিশ্বের খাদ্যসংকটের পাশাপাশি খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার প্রসঙ্গটি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। তরুণ প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসায় চালের পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলের চাহিদা বাড়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এই বাস্তবতায় কৃষির পরিকল্পনা ও উৎপাদনে নতুন ধারা এনে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। অধিক ফলন পাওয়ার আশায় জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে খাদ্যদূষণ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

কৃষকদের সুরক্ষায় সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। কোন মৌসুমে কী পরিমাণ পণ্যের চাহিদা রয়েছে তা নির্ধারণ করে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কথাও জানান তিনি। এতে কৃষি উৎপাদন এবং বাজারের চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। তরুণদের কৃষিতে আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খাতটিকে লাভজনক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. খোন্দকার মো. ইফতেখারুদ্দৌলা। এ বছরের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ছিল ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামী দিনের সমৃদ্ধি’। কৃষিকে আরও টেকসই ও উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তর করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেওয়া হয়।