ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী Logo জাপানে উড়োজাহাজে সাপ, বাতিল হল ফ্লাইট Logo গোপন কথাটি এবার রবে গোপন, চ্যাটজিপিটিতে ‘লকড চ্যাট’ Logo সেই এনসিপি নেতার ফেসবুক স্টোরিতে ফের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন Logo ডিসেম্বরের মধ্যে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কে গ্যাস-বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব Logo প্রধানমন্ত্রী যখন জাপান থাকবেন, রাষ্ট্রদূত থাকবেন ঢাকায় Logo অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে গুঁড়িয়ে সমতা ফেরাল দক্ষিণ আফ্রিকা Logo ডেলের ‘কোর সার্ভার পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেল স্মার্ট টেকনোলজিস Logo গিলের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে ব্রুকের বিধ্বংসী ডাবল সেঞ্চুরি Logo ‘ককরোচদের ডাকা বিক্ষোভে যাইনি,’ দিল্লি হাইকোর্টে বললেন নেহা বোরা

শিশুর কথা শোনা জরুরি

ফিচার ডেস্ক: পরিবারে শিশুদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা আজও সমাজে বিদ্যমান রয়েছে। পোশাক নির্বাচন থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পেশা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও শিশুদের ইচ্ছা অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। শিশু সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে, বড়রা শিশুদের অবুঝ ভেবে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। অথচ একজন শিশুর নিজস্ব চিন্তা, পছন্দ, স্বপ্ন এবং অনুভূতি সবসময়ই মূল্যায়ন করা উচিত।

শিশুদের বয়স ও বোঝার ক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্তে নিজেদের মতামতের সুযোগ থাকলে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভাবতে শেখে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এবং নিজস্ব মতামত প্রকাশের সক্ষমতা তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পেশার সঙ্গে জড়িত সিদ্ধান্তগুলোতে তাদের কথা শোনা আবশ্যক।

অবশ্য শিশুদের প্রতিটি আবদার বা মতামত অন্ধভাবে মেনে নেওয়াকে সঠিক সমাধান বলা চলে না। বরং বড়দের দায়িত্ব হলো তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দ দিকগুলো সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতামতের সঙ্গে তা সমন্বয় করার পাশাপাশি শিশুর নিরাপত্তা ও সর্বোত্তম স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাই পারিবারিক পর্যায় থেকেই তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হলে তারা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।

জনপ্রিয়

সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী

শিশুর কথা শোনা জরুরি

প্রকাশিত ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ফিচার ডেস্ক: পরিবারে শিশুদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা আজও সমাজে বিদ্যমান রয়েছে। পোশাক নির্বাচন থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পেশা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও শিশুদের ইচ্ছা অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। শিশু সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে, বড়রা শিশুদের অবুঝ ভেবে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। অথচ একজন শিশুর নিজস্ব চিন্তা, পছন্দ, স্বপ্ন এবং অনুভূতি সবসময়ই মূল্যায়ন করা উচিত।

শিশুদের বয়স ও বোঝার ক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্তে নিজেদের মতামতের সুযোগ থাকলে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভাবতে শেখে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এবং নিজস্ব মতামত প্রকাশের সক্ষমতা তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পেশার সঙ্গে জড়িত সিদ্ধান্তগুলোতে তাদের কথা শোনা আবশ্যক।

অবশ্য শিশুদের প্রতিটি আবদার বা মতামত অন্ধভাবে মেনে নেওয়াকে সঠিক সমাধান বলা চলে না। বরং বড়দের দায়িত্ব হলো তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দ দিকগুলো সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতামতের সঙ্গে তা সমন্বয় করার পাশাপাশি শিশুর নিরাপত্তা ও সর্বোত্তম স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাই পারিবারিক পর্যায় থেকেই তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হলে তারা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।