ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভ্যান গগের আঁকা আকাশের রহস্য উন্মোচনের দাবি বিজ্ঞানীদের Logo আবৃত্তি ও আলোচনায় জীবনানন্দকে স্মরণ Logo আড়াই মাসের কাঠমিস্ত্রি, সাত বছরের কারাবাস, তারপর চিকিৎসক Logo হ্যাকাররা কীভাবে স্মার্ট ফ্রিজ হ্যাক করেছিলেন Logo কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ক্যারিয়ার অ্যান্ড সেটেলমেন্ট ওয়ার্কশপ: নতুন অভিবাসীদের সহায়তার নতুন দুয়ার Logo ঢাকার গৃহহীন মানুষের আবাসন নিয়ে কেন আমরা ভাবব না Logo অনিরুদ্ধ বিয়ে করছেন ২৪ হাজার কোটি রুপির উত্তরাধিকারকে, কে এই কাব্য? Logo কাজের স্বীকৃতি নয়, মানুষ হিসেবে নিজের মূল্য খুঁজে পাওয়া জরুরি Logo আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রধান উৎস ইসরায়েলি দখলদারিত্ব: মক্কা জোট, মিশর Logo এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় কক্সবাজার কি আছে

বার্সেলোনায় ২২ বছরের ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন

প্রবাস ডেস্ক: স্পেনের বার্সেলোনা শহরে অ্যাসোসিয়েশন কোলতুরা হিন্দুর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছরের ধারাবাহিকতা পেরিয়ে এবার ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে প্রবাসী বাঙালিদের এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। শহরের গ্রান ভিয়ার একটি তারকা হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত এই পূজায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা। ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়।

পূজা উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ নাচ ও গান পরিবেশন করেন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সপ্তমীর অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অবন্তী সিথি। এবারের পূজায় দেবীর আগমন ও গমনের বাহনকে কেন্দ্র করে প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকার নানা তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে শিমুল চক্রবর্তী, অসীম সেন, উত্তম শীলসহ অনেক প্রবাসী বাঙালি ও কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অন্যতম উদ্যোক্তা উত্তম কুমার জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই পূজার আয়োজন করে আসছেন এবং এটি সফল করতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। আরেক উদ্যোক্তা আশুতোষ দে সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে দেবীর কাছে শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা জানান। উদ্যোক্তা সুমন সাহা জানান যে এবারের পূজা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

দূর পরবাসে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এই পূজার আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসের মাটিতে নিজ দেশের আনন্দ ও উৎসব ভাগাভাগি করে নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাঙালিরা। এই ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব প্রবাসীদের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।

জনপ্রিয়

ভ্যান গগের আঁকা আকাশের রহস্য উন্মোচনের দাবি বিজ্ঞানীদের

বার্সেলোনায় ২২ বছরের ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন

প্রকাশিত ০৯:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: স্পেনের বার্সেলোনা শহরে অ্যাসোসিয়েশন কোলতুরা হিন্দুর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছরের ধারাবাহিকতা পেরিয়ে এবার ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে প্রবাসী বাঙালিদের এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। শহরের গ্রান ভিয়ার একটি তারকা হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত এই পূজায় অংশ নেন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা। ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়।

পূজা উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ নাচ ও গান পরিবেশন করেন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সপ্তমীর অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অবন্তী সিথি। এবারের পূজায় দেবীর আগমন ও গমনের বাহনকে কেন্দ্র করে প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকার নানা তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে শিমুল চক্রবর্তী, অসীম সেন, উত্তম শীলসহ অনেক প্রবাসী বাঙালি ও কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অন্যতম উদ্যোক্তা উত্তম কুমার জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই পূজার আয়োজন করে আসছেন এবং এটি সফল করতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। আরেক উদ্যোক্তা আশুতোষ দে সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে দেবীর কাছে শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা জানান। উদ্যোক্তা সুমন সাহা জানান যে এবারের পূজা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

দূর পরবাসে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এই পূজার আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রবাসের মাটিতে নিজ দেশের আনন্দ ও উৎসব ভাগাভাগি করে নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাঙালিরা। এই ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব প্রবাসীদের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।