শিক্ষা ডেস্ক: কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সংশোধন করা যায়, সে বিষয়ে এখন গভীরভাবে চিন্তা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনে এমন দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোকে পার্শ্ববর্তী কোনো ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের কোনো পদক্ষেপে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চাকরি হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। খাতের মানোন্নয়নে এমন সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
অনুষ্ঠানে চলতি বছরের প্রকাশিত ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং বিগত পরীক্ষার নানান তথ্যের কথা তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এর আগে এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের পর তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল। আসন্ন দিনগুলোতেও খাতা পুনর্নিরীক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং কোনো শিক্ষার্থী যেন মূল্যায়নে বঞ্চনার শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা হবে। বর্তমান বছরের ফলাফলকে সন্তোষজনক নয় বলে উল্লেখ করে এর মান উন্নয়নে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে তা থেকে উত্তরণের পথ খোঁজা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ঠিক কত দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বেশি কল্যাণকর হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে মাত্র এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। চলতি বছর প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ে ফেল করেছে বলে তিনি জানান। এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর একাডেমিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দেশের শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।




































