ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাবিতে দুই প্রফেসরের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo কুবি পরিসংখ্যান সমিতির নেতৃত্বে হামীম-রাহীম Logo জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন Logo চরভদ্রাসনে সংসদ সদস্য বাবুলের উপস্থিতিতে ৫০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ Logo গোবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল সাদাত Logo রুমমেটকে মারধরের অভিযোগে পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল কর্মী বহিষ্কার Logo বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত অন্তত ১৫ Logo সাইবার বুলিং বিতর্কে জাককানইবি সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত ঘোঘণা প্রশাসনের Logo দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের ‘কোয়ালিটি গ্রাজুয়েট’ গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই- বাকৃবি উপাচার্য  Logo গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে ডেনিম্যাক লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি

শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে আবাসিক হল পরিদর্শন করলেন কুবি উপাচার্য

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচটি আবাসিক হল পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় তিনি হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম ও সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আবদুল হাকিম এবং বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ।

জানা যায়, পরিদর্শনকালে উপাচার্য হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম, খাবারের মান ও ভর্তুকিসহ আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা-অসুবিধার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “আমি যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, সেদিনই বলেছিলাম ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’। সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই আবাসিক হলগুলো পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। হলের খাবারের মান আমার কাছে মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। তবে কয়েকটি আবাসিক কক্ষের অবস্থা খারাপ দেখেছি। সেগুলো দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হলের ক্যান্টিনগুলোর মান নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তারা প্রতি মাসে ক্যান্টিনের পরিবেশ, খাবারের মানসহ সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে গ্রেডিং করবে। এর মাধ্যমে কোন হলের ক্যান্টিন কোন ক্যাটাগরিতে রয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে।”

হলের খাবারে ভর্তুকির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। সেখানে যদি খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা থেকে থাকে, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

জনপ্রিয়

রাবিতে দুই প্রফেসরের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে আবাসিক হল পরিদর্শন করলেন কুবি উপাচার্য

প্রকাশিত ০২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচটি আবাসিক হল পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় তিনি হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম ও সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আবদুল হাকিম এবং বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ।

জানা যায়, পরিদর্শনকালে উপাচার্য হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম, খাবারের মান ও ভর্তুকিসহ আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা-অসুবিধার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “আমি যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, সেদিনই বলেছিলাম ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’। সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই আবাসিক হলগুলো পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। হলের খাবারের মান আমার কাছে মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। তবে কয়েকটি আবাসিক কক্ষের অবস্থা খারাপ দেখেছি। সেগুলো দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হলের ক্যান্টিনগুলোর মান নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তারা প্রতি মাসে ক্যান্টিনের পরিবেশ, খাবারের মানসহ সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে গ্রেডিং করবে। এর মাধ্যমে কোন হলের ক্যান্টিন কোন ক্যাটাগরিতে রয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে।”

হলের খাবারে ভর্তুকির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। সেখানে যদি খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা থেকে থাকে, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”