ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জুলাই আন্দোলনে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয়া মনিরুলকে ভিসি দপ্তরে পদায়ন, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা Logo বাজারের হিসাব একটু সহজ করতে স্বপ্নের বিশেষ আয়োজন Logo স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এনামুল হক Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক আতিক হাসান শুভ, সদস্য সচিব স্মৃতি আক্তার Logo ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বিশাল ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo তরুণদের ক্ষমতায়নে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দিলো অপো Logo দেশে লঞ্চ হলো ভিভো ভি৮০ লাইট ফাইভজি Logo কর্মীদের জন্য টানা তৃতীয়বারের মত মেটলাইফের বীমা নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক Logo ডেটা সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়তে রবি’র ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’ প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি স্নাতক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে আবাসিক হল পরিদর্শন করলেন কুবি উপাচার্য

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচটি আবাসিক হল পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় তিনি হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম ও সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আবদুল হাকিম এবং বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ।

জানা যায়, পরিদর্শনকালে উপাচার্য হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম, খাবারের মান ও ভর্তুকিসহ আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা-অসুবিধার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “আমি যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, সেদিনই বলেছিলাম ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’। সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই আবাসিক হলগুলো পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। হলের খাবারের মান আমার কাছে মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। তবে কয়েকটি আবাসিক কক্ষের অবস্থা খারাপ দেখেছি। সেগুলো দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হলের ক্যান্টিনগুলোর মান নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তারা প্রতি মাসে ক্যান্টিনের পরিবেশ, খাবারের মানসহ সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে গ্রেডিং করবে। এর মাধ্যমে কোন হলের ক্যান্টিন কোন ক্যাটাগরিতে রয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে।”

হলের খাবারে ভর্তুকির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। সেখানে যদি খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা থেকে থাকে, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

জুলাই আন্দোলনে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয়া মনিরুলকে ভিসি দপ্তরে পদায়ন, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে আবাসিক হল পরিদর্শন করলেন কুবি উপাচার্য

প্রকাশিত ০২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচটি আবাসিক হল পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় তিনি হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম ও সার্বিক পরিবেশ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আবদুল হাকিম এবং বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ।

জানা যায়, পরিদর্শনকালে উপাচার্য হলগুলোর রিডিং রুম, ডাইনিং রুম, খাবারের মান ও ভর্তুকিসহ আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা-অসুবিধার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “আমি যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, সেদিনই বলেছিলাম ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’। সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই আবাসিক হলগুলো পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। হলের খাবারের মান আমার কাছে মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। তবে কয়েকটি আবাসিক কক্ষের অবস্থা খারাপ দেখেছি। সেগুলো দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হলের ক্যান্টিনগুলোর মান নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। তারা প্রতি মাসে ক্যান্টিনের পরিবেশ, খাবারের মানসহ সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে গ্রেডিং করবে। এর মাধ্যমে কোন হলের ক্যান্টিন কোন ক্যাটাগরিতে রয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে।”

হলের খাবারে ভর্তুকির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। সেখানে যদি খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা থেকে থাকে, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও তা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”