ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দেশে দুধের ঘাটতি ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন: বাকৃবিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস Logo কটিয়াদীতে ঢাকঢোল বাজিয়ে দাফনের চেষ্টা, আলেমদের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক জানাজা Logo বেনাপোলে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মানববন্ধন: এস আলমের সম্পত্তি ক্রোকের দাবি Logo কর্মচারীর বিয়েতে সৌদি থেকে উড়ে এলেন কফিল Logo বিশ্বকাপ জিতলে দাড়ি-গোঁফ রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেন ইয়ামাল Logo বাজিতপুরে বজ্রপাতে পুরোহিতের মৃত্যু Logo ধনবাড়ীতে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড ও পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন Logo বড় পর্দায় বিশ্বকাপ প্রদর্শনের প্রস্তাব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের Logo শাওমি নিয়ে এলো ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ Logo নীলফামারীর ডিমলায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই বোনের

আপাতত হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের

লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার পর এবার সেই অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ‘খাতামুল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ লেবানন ও দাহিয়েহ এলাকায় ‘অপরাধী আমেরিকার সমর্থনে’ ইসরায়েলি বাহিনীর ‘নৃশংসতার’ জবাবে তারা সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে এবং ‘উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া’ দেওয়ার পরই তা স্থগিত করা হয়েছে। এতে আরও দাবি করা হয়, ইসরায়েল ও তার সমর্থকদের এই হামলা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

এর আগে রোববার (৭ জুন) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের ‘রামাত ডেভিড’ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে ইরানের এলিট বাহিনী আইআরজিসি। লেবাননে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে সোমবার সকালে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের কয়েকটি শহরে বিমান হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এর জবাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ‘নেভাতিম’ ও ‘তেল নোফ’ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে আইআরজিসি।

ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, গত ৮ এপ্রিল ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যার আওতায় সব পক্ষকে যুদ্ধক্ষেত্রে হামলা বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে ইসরায়েল নিয়মিতভাবে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

এদিকে ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, বর্তমান অভিযান স্থগিত করা হলেও ইসরায়েল বা অন্য কোনো পক্ষ নতুন করে হামলা বা উসকানি দিলে ‘আরও কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়া হবে। আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জুলফিকারি দাবি করেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি স্থাপনাগুলোতে “গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি” হয়েছে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের জবাব আরও তীব্র হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তবে এই দাবিগুলোর বিষয়ে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

দেশে দুধের ঘাটতি ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন: বাকৃবিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস

আপাতত হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের

প্রকাশিত ০৯:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার পর এবার সেই অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ‘খাতামুল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ লেবানন ও দাহিয়েহ এলাকায় ‘অপরাধী আমেরিকার সমর্থনে’ ইসরায়েলি বাহিনীর ‘নৃশংসতার’ জবাবে তারা সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে এবং ‘উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া’ দেওয়ার পরই তা স্থগিত করা হয়েছে। এতে আরও দাবি করা হয়, ইসরায়েল ও তার সমর্থকদের এই হামলা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

এর আগে রোববার (৭ জুন) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের ‘রামাত ডেভিড’ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে ইরানের এলিট বাহিনী আইআরজিসি। লেবাননে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে সোমবার সকালে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের কয়েকটি শহরে বিমান হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এর জবাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ‘নেভাতিম’ ও ‘তেল নোফ’ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে আইআরজিসি।

ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, গত ৮ এপ্রিল ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যার আওতায় সব পক্ষকে যুদ্ধক্ষেত্রে হামলা বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে ইসরায়েল নিয়মিতভাবে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

এদিকে ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, বর্তমান অভিযান স্থগিত করা হলেও ইসরায়েল বা অন্য কোনো পক্ষ নতুন করে হামলা বা উসকানি দিলে ‘আরও কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়া হবে। আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জুলফিকারি দাবি করেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি স্থাপনাগুলোতে “গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি” হয়েছে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের জবাব আরও তীব্র হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তবে এই দাবিগুলোর বিষয়ে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।