ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা Logo অটিস্টিক ছেলে যাতে সহজে চিনতে পারে তাই চুল কাটেন না কুকুরেয়া Logo সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ Logo আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি Logo ভারতে তিন বোন একসঙ্গে বিয়ে করলেন এক যুবককে Logo পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন Logo হাবিপ্রবিতে ব্যাডমিন্টন কার্নিভাল ১.০ এর উদ্বোধন Logo রাবিতে টার্ফ মাঠ, হবিবুর সংলগ্ন মাঠ ও সুইমিংপুল আধুনিকায়নে ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ে বাজেট প্রস্তাব Logo ‎কুবিতে ‘বন্ধু’র উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ব্লাডগ্রুপিং ও সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন Logo নবীন শিক্ষার্থীদেরকে গাছের চারা দিয়ে বরণ করে নিল পাবিপ্রবি প্রশাসন

নারীদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রী

নারীদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে কৌশলে তাদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং পরে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (৮ জুন) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁর ধামইরহাট থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার আলিফ হোসেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার একটি বিশেষ দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে। পরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলিফকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তল্লাশিতে ধামইরহাটের ওই তরুণী ছাড়াও আরও তিন নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। এমনকি নিজের স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিওও তিনি মোবাইলে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আলিফ স্বীকার করেছেন, তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সঙ্গে পরিচয় ও সখ্য গড়ে তুলতেন। পরে বিভিন্ন কৌশলে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করতেন। পরবর্তীতে এসব ছবি ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতেন। পুলিশ বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বিকৃত মানসিক তৃপ্তি লাভ করতেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জনপ্রিয়

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

নারীদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণই আলিফের নেশা, বাদ যায়নি নিজের স্ত্রী

প্রকাশিত ১০:২২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে কৌশলে তাদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং পরে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (৮ জুন) টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁর ধামইরহাট থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার আলিফ হোসেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার একটি বিশেষ দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে। পরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলিফকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক তল্লাশিতে ধামইরহাটের ওই তরুণী ছাড়াও আরও তিন নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। এমনকি নিজের স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিওও তিনি মোবাইলে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আলিফ স্বীকার করেছেন, তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সঙ্গে পরিচয় ও সখ্য গড়ে তুলতেন। পরে বিভিন্ন কৌশলে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে মোবাইলে সংরক্ষণ করতেন। পরবর্তীতে এসব ছবি ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতেন। পুলিশ বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বিকৃত মানসিক তৃপ্তি লাভ করতেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।