মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার মাঝেই ইরানে আবারও সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার (১ আগস্ট) বা রবিবারের (২ আগস্ট) মধ্যেই এ আঘাত হানা হতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তার বরাতে এ পরিকল্পনার বিষয়টি সামনে এসেছে।
তবে এই হামলার পরিধি ঠিক কতটা ব্যাপক হবে কিংবা ঠিক কোন কোন স্থানকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি সামরিক সূত্র দুটি সতর্ক করে জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে শেষ মুহূর্তে এই পরিকল্পনা স্থগিত বা বাতিলও হয়ে যেতে পারে।
মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পরপরই ওয়াশিংটনের এ নতুন অবস্থানের কথা জানা গেল। সম্প্রতি মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ শিগগিরই থামছে না এবং দ্রুতই তাদের ওপর কঠিন আঘাত হানা হবে। অবশ্য শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো হামলার বার্তা পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও (সেন্টকম) গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে ইরানে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়েছিল। ওয়াশিংটন সে সময় দাবি করে, ওই ঘটনার জবাবেই তারা ইরানে এক দফা বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। তবে এই সামরিক সংঘাতের উত্তাপ ছড়াচ্ছে সমুদ্রপথগুলোতেও। ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় একটি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে আকস্মিক এই হামলার পেছনে ঠিক কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: সিএনএন





















