ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

দেশের গবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজনন বাজারের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘ব্র্যাক – এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স আর্টিফিশিয়াল ইনসেমিনেশন (এবিজি এআই) মার্কেট সার্ভে’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী, শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের গ্যালারিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. শরীফুল ইসলামসহ প্রকল্পে সম্পৃক্ত স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম প্রজনন ক্ষেত্রের সুযোগ, সম্ভাবনা ও অসঙ্গতি তুলে ধরতে মাঠপর্যায়ে একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করা হয়। গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের ৮টি বিভাগের মোট ৭ হাজার ১০০ জন খামারি এবং বিভিন্ন ব্রিডিং কোম্পানির ৭৫০ জন প্রজনন কর্মীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি ৮টি বিভাগীয় কর্মশালায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) ১৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও ও ব্রিডিং কোম্পানির ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।’

উল্লেখ্য যে, তথ্য সংগ্রহের কাজে অংশগ্রহণ করেন পশুপালন অনুষদের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৭১ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন এবং মাস্টার্স পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৯৭ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘এই সার্ভের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কার্যক্রম এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সফলতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। শ্রমসাধ্য এই গবেষণা অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং দেশের প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখবে। ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ খাদ্যের চাহিদা পূরণে আমাদের টেকসই ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগও তৈরি করবে।’

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

প্রকাশিত ১১:৫২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

দেশের গবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজনন বাজারের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘ব্র্যাক – এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স আর্টিফিশিয়াল ইনসেমিনেশন (এবিজি এআই) মার্কেট সার্ভে’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী, শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের গ্যালারিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. শরীফুল ইসলামসহ প্রকল্পে সম্পৃক্ত স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম প্রজনন ক্ষেত্রের সুযোগ, সম্ভাবনা ও অসঙ্গতি তুলে ধরতে মাঠপর্যায়ে একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করা হয়। গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের ৮টি বিভাগের মোট ৭ হাজার ১০০ জন খামারি এবং বিভিন্ন ব্রিডিং কোম্পানির ৭৫০ জন প্রজনন কর্মীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি ৮টি বিভাগীয় কর্মশালায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) ১৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও ও ব্রিডিং কোম্পানির ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।’

উল্লেখ্য যে, তথ্য সংগ্রহের কাজে অংশগ্রহণ করেন পশুপালন অনুষদের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৭১ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন এবং মাস্টার্স পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৯৭ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘এই সার্ভের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কার্যক্রম এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সফলতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। শ্রমসাধ্য এই গবেষণা অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং দেশের প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখবে। ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ খাদ্যের চাহিদা পূরণে আমাদের টেকসই ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগও তৈরি করবে।’