ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইস্টার্ন ব্যাংক এর সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে মেটলাইফ Logo চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো নতুন অংশীদার Logo ইরানে আবারও হিজাব বিতর্ক, খোলা চুলে রাস্তায় নারীরা Logo পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন Logo কুবির নজরুল হলে সাময়িক বহিষ্কৃতদের সিটে ছাত্রদলকর্মীদের ওঠানোর অভিযোগ, জানে না প্রশাসন Logo বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন বেড়ে ১১০ কোটি টাকা Logo ভারতে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ, ‘বাংলাদেশি’ যুবক গ্রেপ্তার Logo ঢাকায় ম্যাচ খেলতে পারে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ হতে পারে বাংলাদেশও Logo প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন

কুবির নজরুল হলে সাময়িক বহিষ্কৃতদের সিটে ছাত্রদলকর্মীদের ওঠানোর অভিযোগ, জানে না প্রশাসন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলের দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে হল প্রশাসন।

বহিষ্কারের পরপরই তাদের বিছানাপত্র হলের বাইরে ফেলে দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই সেখানে ছাত্রদলের দুই কর্মীকে ওঠানোর অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলকর্মী সাদেক শাকের ও রাফসান সামির বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানে না হল প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নজরুল হলের ৩০৫ নম্বর কক্ষে থাকতেন সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও মো. হুমায়ুন কবির। তাদের জিনিসপত্র কক্ষ থেকে বাইরে ফেলে দিয়ে শুভর সিটে বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সালমান এবং হুমায়ুনের সিটে ছাত্রদলকর্মী রেদওয়ান অন্তরকে ওঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে রেদওয়ান অন্তর বলেন, ‘হলের ৩০৫ নম্বর রুম ফাঁকা থাকার সাপেক্ষে হলের সিনিয়রদের মাধ্যমে আমি ওখানে উঠেছি।’ তবে কোন সিনিয়দের মাধ্যমে ওঠেছেন তাদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

হল প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হল প্রশাসনকে জানানো হয়নি। আমি সাময়িক সময়ের জন্য ওই সিটে উঠেছি। যারা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তারা ফিরে আসলে আমি এই সিট ছেড়ে দেব।’

শুভর সিটে ওঠা সালমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নজরুল হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘যেদিন শুভ আর হুমায়ুনকে বহিষ্কার করা হয়, সেদিনই রাফসান আর সাদেক তাদের বিছানাপত্র বাইরে ফেলে দেয়। এর পরদিন রাতে তাদের সিটে ১৮ ব্যাচের সালমান ও রেদওয়ান অন্তরকে ওঠিয়েছে তারা।’

তবে হলে জুনিয়র শিক্ষার্থী ওঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদলকর্মী সাদেক শাকের ও রাফসান সামি।

সাদেক শাকের বলেন, ‘আমি ওখানে কোনো জুনিয়র তুলিনি। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

রাফসান সামি বলেন, ‘আমি ওই সিটে কাউকে তুলিনি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদি কেউ এভাবে উঠে থাকে, তাহলে সেটা উচিত হয়নি।’

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. হারুন বলেন, ‘ওই সিটগুলোতে কারা উঠছে, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যেহেতু সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি এখনো বিচারাধীন, তাই ওই সিটগুলোতে কেউ উঠতে পারবে না। যদি সেখানে কেউ উঠে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জনপ্রিয়

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুবির নজরুল হলে সাময়িক বহিষ্কৃতদের সিটে ছাত্রদলকর্মীদের ওঠানোর অভিযোগ, জানে না প্রশাসন

প্রকাশিত ০৯:৩২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলের দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে হল প্রশাসন।

বহিষ্কারের পরপরই তাদের বিছানাপত্র হলের বাইরে ফেলে দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই সেখানে ছাত্রদলের দুই কর্মীকে ওঠানোর অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলকর্মী সাদেক শাকের ও রাফসান সামির বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানে না হল প্রশাসন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নজরুল হলের ৩০৫ নম্বর কক্ষে থাকতেন সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও মো. হুমায়ুন কবির। তাদের জিনিসপত্র কক্ষ থেকে বাইরে ফেলে দিয়ে শুভর সিটে বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সালমান এবং হুমায়ুনের সিটে ছাত্রদলকর্মী রেদওয়ান অন্তরকে ওঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে রেদওয়ান অন্তর বলেন, ‘হলের ৩০৫ নম্বর রুম ফাঁকা থাকার সাপেক্ষে হলের সিনিয়রদের মাধ্যমে আমি ওখানে উঠেছি।’ তবে কোন সিনিয়দের মাধ্যমে ওঠেছেন তাদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

হল প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হল প্রশাসনকে জানানো হয়নি। আমি সাময়িক সময়ের জন্য ওই সিটে উঠেছি। যারা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তারা ফিরে আসলে আমি এই সিট ছেড়ে দেব।’

শুভর সিটে ওঠা সালমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নজরুল হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘যেদিন শুভ আর হুমায়ুনকে বহিষ্কার করা হয়, সেদিনই রাফসান আর সাদেক তাদের বিছানাপত্র বাইরে ফেলে দেয়। এর পরদিন রাতে তাদের সিটে ১৮ ব্যাচের সালমান ও রেদওয়ান অন্তরকে ওঠিয়েছে তারা।’

তবে হলে জুনিয়র শিক্ষার্থী ওঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদলকর্মী সাদেক শাকের ও রাফসান সামি।

সাদেক শাকের বলেন, ‘আমি ওখানে কোনো জুনিয়র তুলিনি। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

রাফসান সামি বলেন, ‘আমি ওই সিটে কাউকে তুলিনি। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদি কেউ এভাবে উঠে থাকে, তাহলে সেটা উচিত হয়নি।’

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. হারুন বলেন, ‘ওই সিটগুলোতে কারা উঠছে, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যেহেতু সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি এখনো বিচারাধীন, তাই ওই সিটগুলোতে কেউ উঠতে পারবে না। যদি সেখানে কেউ উঠে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’