ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা

পূর্বের বিবাহ ও বিচ্ছেদের তথ্য গোপন করে নিজেকে অবিবাহিতা পরিচয় দিয়ে বিয়ের অভিযোগে স্ত্রী শেখ অবন্তী ঐশীর বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন স্বামী উদয় জালাল দীপ।

ঢাকার তৃতীয় সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দায়ের করা এ মামলায় বিয়ে ও কাবিননামা অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আদালতের বিচারক খাদিজা আক্তার শুনানি শেষে বিবাদীকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতারণার মাধ্যমে নিজেকে কুমারী দাবি করে গত ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বাদীকে বিয়ে করেন ঐশী। বিয়ের সময় ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে বাদী জানতে পারেন, বিবাদী এর আগেও একাধিকবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং সেগুলো গোপন রাখা হয়েছে।

বাদী দাবি করেছেন, বিয়ের সময় তিনি সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেনমোহর বাবদ পরিশোধ করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রয়োজনে স্ত্রী ও তার পরিবারকে আরও প্রায় ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে আট ভরি স্বর্ণালংকার প্রদান করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে প্রতারণা করার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সমাজে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং প্রতারিত ব্যক্তি যাতে ন্যায়বিচার পান, সেই লক্ষ্যেই আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিবাদীকে আইনি নোটিশের মাধ্যমে আদালতে তলব করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মতিঝিলে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৮

একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা

প্রকাশিত ০৪:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পূর্বের বিবাহ ও বিচ্ছেদের তথ্য গোপন করে নিজেকে অবিবাহিতা পরিচয় দিয়ে বিয়ের অভিযোগে স্ত্রী শেখ অবন্তী ঐশীর বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন স্বামী উদয় জালাল দীপ।

ঢাকার তৃতীয় সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দায়ের করা এ মামলায় বিয়ে ও কাবিননামা অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আদালতের বিচারক খাদিজা আক্তার শুনানি শেষে বিবাদীকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতারণার মাধ্যমে নিজেকে কুমারী দাবি করে গত ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বাদীকে বিয়ে করেন ঐশী। বিয়ের সময় ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে বাদী জানতে পারেন, বিবাদী এর আগেও একাধিকবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং সেগুলো গোপন রাখা হয়েছে।

বাদী দাবি করেছেন, বিয়ের সময় তিনি সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেনমোহর বাবদ পরিশোধ করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রয়োজনে স্ত্রী ও তার পরিবারকে আরও প্রায় ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে আট ভরি স্বর্ণালংকার প্রদান করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে প্রতারণা করার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সমাজে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং প্রতারিত ব্যক্তি যাতে ন্যায়বিচার পান, সেই লক্ষ্যেই আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিবাদীকে আইনি নোটিশের মাধ্যমে আদালতে তলব করা হয়েছে।