ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুরান ঢাকায় জবি শিক্ষার্থীদের কষ্টের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই

পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি ও প্রতিকূল পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন পরিচালনার চিত্রটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক, যা বিশ্বের অন্য কোথাও সচরাচর দেখা যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী হলের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন এ মন্তব্য করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উপাচার্য আরও বলেন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ‘মেধাবী’ প্রকল্পটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী আবাসনসহ বিসিএস ও আইইএলটিএস প্রস্তুতির সুবিধা পাচ্ছেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের কেবল একাডেমিক পড়াশোনা নয়, বরং জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন হুমায়ুন আহমেদ এবং ফটোগ্রাফি কনটেস্টে প্রথম হয়েছেন মো. ইব্রাহিম রানা।

এছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মাদক মামলার বিচারে ২২ ট্রাইব্যুনাল

পুরান ঢাকায় জবি শিক্ষার্থীদের কষ্টের দ্বিতীয় উদাহরণ পৃথিবীতে নেই

প্রকাশিত ১০:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি ও প্রতিকূল পরিবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন পরিচালনার চিত্রটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক, যা বিশ্বের অন্য কোথাও সচরাচর দেখা যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী হলের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন এ মন্তব্য করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উপাচার্য আরও বলেন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ‘মেধাবী’ প্রকল্পটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী আবাসনসহ বিসিএস ও আইইএলটিএস প্রস্তুতির সুবিধা পাচ্ছেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের কেবল একাডেমিক পড়াশোনা নয়, বরং জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন হুমায়ুন আহমেদ এবং ফটোগ্রাফি কনটেস্টে প্রথম হয়েছেন মো. ইব্রাহিম রানা।

এছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।