ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ছড়িয়ে পড়া নানা ধরনের অপবাদ ও সমালোচনার প্রকাশ্যে জবাব দিয়েছেন আলোচিত মডেল ও রাজনৈতিক কর্মী মেঘনা আলম। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নিয়ে চলা নানা ধরনের ভিত্তিহীন গুঞ্জনের অবসান ঘটাতে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি দীর্ঘ ও খোলামেলা স্ট্যাটাস দিয়েছেন। নিজের সেই পোস্টে তিনি তার জীবনের একটি ব্যক্তিগত সত্য তুলে ধরেছেন যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মেঘনা দাবি করেন যে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্কে জড়াননি। তবে শুধু ধর্মীয় লেবাস বা প্রথাগত পোশাক পরিধান না করার কারণেই তাকে সমাজের একাংশের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অপবাদ ও লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার এই সাহসী স্বীকারোক্তি ও মন্তব্য মুহূর্তেই ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন তর্কের সূত্রপাত ঘটে।
পোস্টে তিনি সমাজের তথাকথিত নৈতিকতা ও ধর্মের মুখোশধারী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বিমুখী আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। মেঘনা অভিযোগ করেন যে, সমাজে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এবং আপত্তিকর ভাইরাল অডিও ক্লিপ থাকা সত্ত্বেও তাদের আড়াল করার চেষ্টা চালানো হয় এবং তাদের নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সমাজের এই ধরনের পক্ষপাতদুষ্ট ও দ্বিচারিতাপূর্ণ মানসিকতা সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
স্ট্যাটাসের শেষ অংশে সমাজের এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার প্রতি গভীর হতাশা প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে এটি আসলে কেমন দুনিয়া। তার এই পোস্ট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং সাধারণ মানুষ ও অনুসারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে শুরু করেন। সমাজের প্রচলিত ধ্যান-ধারণা ও নারী প্রগতির প্রশ্নে তার এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।


































