ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

অবৈধ সম্পদ: সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আইন-আদালত ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি দুর্নীতি মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক সম্প্রতি এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক বছর কারাবাস করতে হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আসামি শ্যামল কৃষ্ণ দাস ময়মনসিংহের কর অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। ২০২১ সালে তিনি দুদকের কাছে নিজের ও নির্ভরশীলদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, তার আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগে ২০২৪ সালের মে মাসে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, আসামির অবৈধ উপায়ে অর্জিত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে গত বছর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়। বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি শ্যামল কৃষ্ণ দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন কারণ তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন। রায় প্রদানের পর আদালত তার জামিন আদেশ বাতিল করে তাকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দুর্নীতি দমন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার এই রায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় অভিযান: জামিনে মুক্ত ৩ নারী

অবৈধ সম্পদ: সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত ০৪:৫২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি দুর্নীতি মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক সম্প্রতি এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক বছর কারাবাস করতে হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আসামি শ্যামল কৃষ্ণ দাস ময়মনসিংহের কর অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। ২০২১ সালে তিনি দুদকের কাছে নিজের ও নির্ভরশীলদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, তার আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগে ২০২৪ সালের মে মাসে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, আসামির অবৈধ উপায়ে অর্জিত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে গত বছর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়। বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি শ্যামল কৃষ্ণ দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন কারণ তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন। রায় প্রদানের পর আদালত তার জামিন আদেশ বাতিল করে তাকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দুর্নীতি দমন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার এই রায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।