ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি এড়াতে ৫টি অভ্যাস গড়ে তুলুন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তনের মতো মস্তিষ্কেও প্রভাব পড়ে এবং স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি কমতে শুরু করে। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা অল্প বয়সেই মস্তিষ্কের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ করে এই রোগ দেখা দেয় না বরং দীর্ঘদিনের অসচেতনতা এর জন্য দায়ী। দৈনন্দিন জীবনে কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ভালো রাখা সম্ভব হয়।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ত্রিশ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। হাঁটাচলা মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং কোষগুলোকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে থাকে। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি কারণ এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মানসিক ও সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বই পড়া, ধাঁধা সমাধান কিংবা নতুন কিছু শেখার পাশাপাশি প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো প্রয়োজন। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এড়ানো না গেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা থাকে। এছাড়া কম শোনা বা চোখে কম দেখার সমস্যা থাকলে নিয়মিত পরীক্ষা করিয়ে চশমা বা হিয়ারিং এইড ব্যবহার করা উচিত।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই কারণ ঘুমের সময়েই মস্তিষ্কের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, বাদাম ও মাছ রাখার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার বর্জন করা উচিত। অল্প বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও এই অভ্যাসগুলো চর্চা করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দীর্ঘদিন বজায় রাখা সম্ভব।

জনপ্রিয়

২০২৭ সালে সরকারি ছুটি কত দিন, মন্ত্রিসভার অনুমোদন

ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি এড়াতে ৫টি অভ্যাস গড়ে তুলুন

প্রকাশিত ০৭:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তনের মতো মস্তিষ্কেও প্রভাব পড়ে এবং স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি কমতে শুরু করে। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা অল্প বয়সেই মস্তিষ্কের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ করে এই রোগ দেখা দেয় না বরং দীর্ঘদিনের অসচেতনতা এর জন্য দায়ী। দৈনন্দিন জীবনে কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ভালো রাখা সম্ভব হয়।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ত্রিশ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। হাঁটাচলা মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং কোষগুলোকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে থাকে। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি কারণ এগুলো মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মানসিক ও সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বই পড়া, ধাঁধা সমাধান কিংবা নতুন কিছু শেখার পাশাপাশি প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো প্রয়োজন। সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এড়ানো না গেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা থাকে। এছাড়া কম শোনা বা চোখে কম দেখার সমস্যা থাকলে নিয়মিত পরীক্ষা করিয়ে চশমা বা হিয়ারিং এইড ব্যবহার করা উচিত।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই কারণ ঘুমের সময়েই মস্তিষ্কের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, বাদাম ও মাছ রাখার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার বর্জন করা উচিত। অল্প বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও এই অভ্যাসগুলো চর্চা করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দীর্ঘদিন বজায় রাখা সম্ভব।