ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি Logo লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা Logo এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ

হাবিপ্রবি বন্ধুসভার উদ্যোগে এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন

পবিত্র রমজান মাসের সহমর্মিতা, ত্যাগ ও মানবিকতার শিক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে হাবিপ্রবি বন্ধুসভা। বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি এবার এগিয়ে এসেছে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে, রোজার মহিমা ও বরকত ভাগাভাগি করে নিতে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন উত্তর সাদেকপুর শাহী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বন্ধুসভার সদস্যরা এবং মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীরা। আয়োজনের শুরু থেকেই ছিল ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বন্ধুসভার সদস্যরা নিজ হাতে এতিম শিক্ষার্থীদের ইফতার পরিবেশন করেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। পুরো আয়োজনে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ছিল তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, “বন্ধুসভার মূল লক্ষ্য সবসময় বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজ করা। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই পরিধিকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছি। রমজানের সহমর্মিতা ও বরকতের বার্তা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কাছেও পৌঁছে দেওয়াই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। সকল সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও একাত্মতার ফলেই আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া শারমিন বর্ষা বলেন, “আজকের ইফতার আয়োজন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ। এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার ভাগাভাগি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজন সফল করতে সংগঠনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার।”

অনুষ্ঠান শেষে এতিম শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন মুহূর্ত আয়োজকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আয়োজকরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অঙ্গীকার, এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিবেদন দেয়নি ইবির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি জালিয়াতির তদন্ত কমিটি

হাবিপ্রবি বন্ধুসভার উদ্যোগে এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন

প্রকাশিত ১১:৫৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসের সহমর্মিতা, ত্যাগ ও মানবিকতার শিক্ষা বাস্তবে প্রতিফলিত করতে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে হাবিপ্রবি বন্ধুসভা। বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি এবার এগিয়ে এসেছে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে, রোজার মহিমা ও বরকত ভাগাভাগি করে নিতে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পাস সংলগ্ন উত্তর সাদেকপুর শাহী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বন্ধুসভার সদস্যরা এবং মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীরা। আয়োজনের শুরু থেকেই ছিল ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বন্ধুসভার সদস্যরা নিজ হাতে এতিম শিক্ষার্থীদের ইফতার পরিবেশন করেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। পুরো আয়োজনে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ছিল তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।

সংগঠনের সভাপতি আশিকুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, “বন্ধুসভার মূল লক্ষ্য সবসময় বন্ধুদের নিয়ে ইতিবাচক ও মানবিক কাজ করা। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই পরিধিকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছি। রমজানের সহমর্মিতা ও বরকতের বার্তা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুদের কাছেও পৌঁছে দেওয়াই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। সকল সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও একাত্মতার ফলেই আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া শারমিন বর্ষা বলেন, “আজকের ইফতার আয়োজন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ। এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার ভাগাভাগি করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজন সফল করতে সংগঠনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক পরিশ্রম প্রশংসার দাবিদার।”

অনুষ্ঠান শেষে এতিম শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন মুহূর্ত আয়োজকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আয়োজকরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অঙ্গীকার, এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।