ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছাত্রদলের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে গিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেলের কিচেনে অবরুদ্ধ জবি অধ্যাপক ড. বেলাল Logo ২৬০ শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৪ শিক্ষক: ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগ Logo ছাত্রদল নেতা সুমন সরদারের নেতৃত্বে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি দখলের চেষ্টা Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সভাপতি ইফতি সাধারণ সম্পাদক শাওন Logo বাকৃবিতে আবাসিক হলে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় জোড়া তদন্ত কমিটি গঠন Logo হুট করে বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন নোবিপ্রবি উপাচার্যের Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রশাসনের সাথে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় Logo নতুন গান ‘তোমার কলরব’ নিয়ে ফিরলেন মিলানা মমিন Logo জাবিতে ছাত্রশিবিরের ‘জুলাই অভ্যুত্থান রান ২০২৬ ’ মিনি ম্যারাথন Logo দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

চলন্ত বাস থেকে জাবি শিক্ষার্থীকে ধাক্কা, ঠিকানা পরিবহনের ৬ বাস আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ‘ঠিকানা পরিবহন’-এর ছয়টি বাস আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এসব বাস আটক করা হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম মামুন। তিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি জানান, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিটে বিশমাইল এলাকা থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। পরে ডেইরি গেটে নামতে চাইলে বাসের হেলপার তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের বাসে না তোলার কথা বলে। একপর্যায়ে আরেকজন হেলপার তাকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে তিনি হাঁটু ও হাতে আঘাত পান।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মামুন বলেন, “এ ধরনের গর্হিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ঘটনার বিষয়ে ঠিকানা পরিবহনের এক স্টাফ বলেন, “আমরা শুনেছি আমাদের একটি বাস থেকে এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এরপর শিক্ষার্থীরা কয়েকটি বাস আটক করেছে। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত হেলপারকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে বাস আটক করেছে এবং বাসগুলোর চাবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ঠিকানা সহ অন্যান্য পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিলেও চালক ও হেলপারদের এমন আচরণ বন্ধ হচ্ছে না। বাস মালিক পক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয়

ছাত্রদলের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে গিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেলের কিচেনে অবরুদ্ধ জবি অধ্যাপক ড. বেলাল

চলন্ত বাস থেকে জাবি শিক্ষার্থীকে ধাক্কা, ঠিকানা পরিবহনের ৬ বাস আটক

প্রকাশিত ১০:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ‘ঠিকানা পরিবহন’-এর ছয়টি বাস আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এসব বাস আটক করা হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম মামুন। তিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি জানান, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিটে বিশমাইল এলাকা থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। পরে ডেইরি গেটে নামতে চাইলে বাসের হেলপার তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের বাসে না তোলার কথা বলে। একপর্যায়ে আরেকজন হেলপার তাকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে তিনি হাঁটু ও হাতে আঘাত পান।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মামুন বলেন, “এ ধরনের গর্হিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ঘটনার বিষয়ে ঠিকানা পরিবহনের এক স্টাফ বলেন, “আমরা শুনেছি আমাদের একটি বাস থেকে এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এরপর শিক্ষার্থীরা কয়েকটি বাস আটক করেছে। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত হেলপারকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে বাস আটক করেছে এবং বাসগুলোর চাবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ঠিকানা সহ অন্যান্য পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিলেও চালক ও হেলপারদের এমন আচরণ বন্ধ হচ্ছে না। বাস মালিক পক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”