ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হুতি হামলা থেকে সৌদি আরবের সুরক্ষায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য Logo রাজধানীতে ‘আন্তর্জাতিক শেফস ডে’ উদযাপন Logo এলপিজির দাম কত বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো? বিইআরসিতে প্রস্তাব Logo সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, আপনি বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী Logo ভিক্ষা করার অভিযোগে রিয়াদে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ জন গ্রেপ্তার Logo লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী দম্পতিকে জিম্মি করে মারধর, কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার Logo টাইগার শ্রফ নয়, মূল নিশানা ছিল অন্য কেউ: এনডিটিভি Logo বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, অতঃপর যা বললেন ওসি Logo হরমুজ প্রণালির প্রয়োজন ফুরাতে পারে পাঁচ বছরের মধ্যে: এইচএসবিসি প্রধান

নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়

নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়

একটা স্মার্টফোন কেনার সময় আমাদের নজর সাধারণত ক্যামেরা, প্রসেসর, ডিসপ্লে আর ব্যাটারির ওপরেই থাকে। এই জিনিসগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে একটা ফোন আপনাকে কতটা আরাম দেবে তা কিন্তু শুধু এই কয়েকটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। অনেক সময় দেখা যায়, ফোনের সবচেয়ে কাজের ফিচারগুলো নিয়ে আমরা তেমন একটা আলোচনাই করি না। মজার ব্যাপার হলো, এই ফিচারগুলোর বেশির ভাগই কিন্তু একদম নতুন কিছু নয়। এগুলো বিভিন্নভাবে অনেক বছর ধরেই ফোনে রয়েছে, অথচ অনেক ব্যবহারকারীই হয়তো জানেন না যে এগুলো প্রতিদিনের জীবনে কতটা কাজে আসতে পারে।

যেমন ধরুন শরীর ভালো রাখার বা স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়ার ফিচারগুলোর কথা। আমরা সাধারণত ভাবি এই জিনিসগুলো শুধু ফিটনেস ব্যান্ড বা স্মার্টওয়াচেই থাকে। কিন্তু এখন এই সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে সরাসরি স্মার্টফোনেই চলে আসছে। উদাহরণ হিসেবে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো এর কথাই ধরা যাক। এই ফোনে এখন বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং ফিচার থাকছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত সরাসরি ফোন থেকেই নিজের হার্ট রেট বা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণের মতো জরুরি তথ্যগুলো দেখে নিতে পারেন। ফোন কেনার সময় হয়তো কেউ এই ফিচারটি প্রথমে খোঁজেন না, কিন্তু অফিসের ব্যস্ত দিনগুলোতে বা ভ্রমণের সময় এটি দারুণ উপকারে আসে।

আরেকটা চমৎকার উদাহরণ হলো ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট করে তোলা। ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনে আছে অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স নামের একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিসপ্লে সিস্টেম। এর সুবিধা হলো, বারবার ফোন আনলক না করেই আপনি স্ক্রিনে জাস্ট আলোর সিগন্যাল, নোটিফিকেশন বা জরুরি আপডেটগুলো দেখে নিতে পারবেন। শুধু তাই নয়, এখানে নিজের পছন্দমতো অ্যানিমেশন বা ইন্টারঅ্যাক্টিভ পিক্সেল পেটসও সেট করে রাখা যায়। এই ফিচারগুলো প্রথম দেখায় কেবল সৌন্দর্যের জন্য মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো আসলে স্মার্টফোনকে আরও ব্যক্তিগত এবং সারাদিন ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক করে তোলে।

প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজকে সহজ করার জন্য এই ফোনে আরও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যেমন এতে একটি ওয়ান-ট্যাপ বাটন আছে, যা আপনি নিজের পছন্দমতো সেট করে নিতে পারবেন। এই বাটনটিতে জাস্ট একটা চাপ দিয়েই আপনি সরাসরি সাইলেন্ট মোড চালু করা বা ফ্ল্যাশলাইট জ্বালানোর মতো কাজগুলো এক সেকেন্ডে করে ফেলতে পারবেন। এই ছোটখাটো ফিচারগুলো সময় বাঁচায় বলে খুব দ্রুতই আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি প্রযুক্তির পরিবর্তনের দিকে তাকালে আরেকটি চমৎকার উদাহরণ দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মনে একটা ধারণা ছিল যে, বড় ব্যাটারি মানেই ফোনটি দেখতে ভারী আর মোটা হবে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আধুনিক অগ্রগতির ফলে এখন এই ধারণা বদলে যাচ্ছে। যেমন ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মডেলে একটি শক্তিশালী ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে স্লিম মেটাল-ফ্রেম ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়ার জন্য ফোনের সুন্দর ও হালকা ডিজাইন বাদ দেওয়ার দিন এখন শেষ। যারা সারাদিন কাজের জন্য ফোনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করেন, তাদের কাছে এই সুবিধাটি অন্য যেকোনো বড় স্পেসিফিকেশনের মতোই জরুরি।

স্মার্টফোনের দুনিয়াটা যত উন্নত হচ্ছে, নতুন নতুন টেকনোলজিগুলো এখন আর কেবল প্রসেসরের ক্ষমতার সংখ্যার মধ্যে আটকে থাকছে না। অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স, বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং, শর্টকাট বাটন আর শক্তিশালী ব্যাটারির মতো ফিচারগুলো হয়তো নতুন কোনো ক্যামেরা সেন্সর বা চিপসেটের মতো হইচই তৈরি করে না, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে এগুলোই সবচেয়ে বড় স্বস্তি হয়ে দাঁড়ায়। ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মূলত এই পরিবর্তনটিকেই তুলে ধরেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, যে ফিচারগুলোকে আজ আমরা হয়তো সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাচ্ছি, সময়ের সাথে সাথে ওগুলোই আমাদের সবচেয়ে প্রিয় আর দরকারি হয়ে উঠছে।

জনপ্রিয়

হুতি হামলা থেকে সৌদি আরবের সুরক্ষায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করবে যুক্তরাজ্য

নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়

প্রকাশিত ০১:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

একটা স্মার্টফোন কেনার সময় আমাদের নজর সাধারণত ক্যামেরা, প্রসেসর, ডিসপ্লে আর ব্যাটারির ওপরেই থাকে। এই জিনিসগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে একটা ফোন আপনাকে কতটা আরাম দেবে তা কিন্তু শুধু এই কয়েকটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। অনেক সময় দেখা যায়, ফোনের সবচেয়ে কাজের ফিচারগুলো নিয়ে আমরা তেমন একটা আলোচনাই করি না। মজার ব্যাপার হলো, এই ফিচারগুলোর বেশির ভাগই কিন্তু একদম নতুন কিছু নয়। এগুলো বিভিন্নভাবে অনেক বছর ধরেই ফোনে রয়েছে, অথচ অনেক ব্যবহারকারীই হয়তো জানেন না যে এগুলো প্রতিদিনের জীবনে কতটা কাজে আসতে পারে।

যেমন ধরুন শরীর ভালো রাখার বা স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়ার ফিচারগুলোর কথা। আমরা সাধারণত ভাবি এই জিনিসগুলো শুধু ফিটনেস ব্যান্ড বা স্মার্টওয়াচেই থাকে। কিন্তু এখন এই সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে সরাসরি স্মার্টফোনেই চলে আসছে। উদাহরণ হিসেবে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো এর কথাই ধরা যাক। এই ফোনে এখন বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং ফিচার থাকছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত সরাসরি ফোন থেকেই নিজের হার্ট রেট বা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণের মতো জরুরি তথ্যগুলো দেখে নিতে পারেন। ফোন কেনার সময় হয়তো কেউ এই ফিচারটি প্রথমে খোঁজেন না, কিন্তু অফিসের ব্যস্ত দিনগুলোতে বা ভ্রমণের সময় এটি দারুণ উপকারে আসে।

আরেকটা চমৎকার উদাহরণ হলো ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট করে তোলা। ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনে আছে অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স নামের একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিসপ্লে সিস্টেম। এর সুবিধা হলো, বারবার ফোন আনলক না করেই আপনি স্ক্রিনে জাস্ট আলোর সিগন্যাল, নোটিফিকেশন বা জরুরি আপডেটগুলো দেখে নিতে পারবেন। শুধু তাই নয়, এখানে নিজের পছন্দমতো অ্যানিমেশন বা ইন্টারঅ্যাক্টিভ পিক্সেল পেটসও সেট করে রাখা যায়। এই ফিচারগুলো প্রথম দেখায় কেবল সৌন্দর্যের জন্য মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো আসলে স্মার্টফোনকে আরও ব্যক্তিগত এবং সারাদিন ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক করে তোলে।

প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজকে সহজ করার জন্য এই ফোনে আরও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যেমন এতে একটি ওয়ান-ট্যাপ বাটন আছে, যা আপনি নিজের পছন্দমতো সেট করে নিতে পারবেন। এই বাটনটিতে জাস্ট একটা চাপ দিয়েই আপনি সরাসরি সাইলেন্ট মোড চালু করা বা ফ্ল্যাশলাইট জ্বালানোর মতো কাজগুলো এক সেকেন্ডে করে ফেলতে পারবেন। এই ছোটখাটো ফিচারগুলো সময় বাঁচায় বলে খুব দ্রুতই আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি প্রযুক্তির পরিবর্তনের দিকে তাকালে আরেকটি চমৎকার উদাহরণ দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মনে একটা ধারণা ছিল যে, বড় ব্যাটারি মানেই ফোনটি দেখতে ভারী আর মোটা হবে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আধুনিক অগ্রগতির ফলে এখন এই ধারণা বদলে যাচ্ছে। যেমন ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মডেলে একটি শক্তিশালী ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে স্লিম মেটাল-ফ্রেম ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়ার জন্য ফোনের সুন্দর ও হালকা ডিজাইন বাদ দেওয়ার দিন এখন শেষ। যারা সারাদিন কাজের জন্য ফোনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করেন, তাদের কাছে এই সুবিধাটি অন্য যেকোনো বড় স্পেসিফিকেশনের মতোই জরুরি।

স্মার্টফোনের দুনিয়াটা যত উন্নত হচ্ছে, নতুন নতুন টেকনোলজিগুলো এখন আর কেবল প্রসেসরের ক্ষমতার সংখ্যার মধ্যে আটকে থাকছে না। অ্যাক্টিভ ম্যাট্রিক্স, বিল্ট-ইন হেলথ মনিটরিং, শর্টকাট বাটন আর শক্তিশালী ব্যাটারির মতো ফিচারগুলো হয়তো নতুন কোনো ক্যামেরা সেন্সর বা চিপসেটের মতো হইচই তৈরি করে না, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারে এগুলোই সবচেয়ে বড় স্বস্তি হয়ে দাঁড়ায়। ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো মূলত এই পরিবর্তনটিকেই তুলে ধরেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, যে ফিচারগুলোকে আজ আমরা হয়তো সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাচ্ছি, সময়ের সাথে সাথে ওগুলোই আমাদের সবচেয়ে প্রিয় আর দরকারি হয়ে উঠছে।